• মাঝরাতে সিলিন্ডার ফাটার বিকট শব্দ, চন্দননগরের গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, চাঞ্চল্য
    এই সময় | ১৪ মার্চ ২০২৬
  • চন্দননগরের (Chandan Nagar) সুরের পুকুর এলাকার গোডাউনে (Warehouse) ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড (Fire)। শুক্রবার রাতের এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে দমকলের তিনটি ইঞ্জিন। চলছে আগুন নেভানোর কাজ। স্থানীয় বাসিন্দা ও দমকল সূত্রে খবর, ভাঙা জিনিসপত্র রাখা হতো ওই গোডাউনে। তবে কী ভাবে আগুন লাগল তা এখনও জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন চন্দননগরের ডেপুটি মেয়র মুন্না আগরওয়াল। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন রাতে আচমকাই একের পর এক সিলিন্ডার বিস্ফোরণের শব্দে শোরগোল পড়ে যায়। আতঙ্কে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন অনেকে। তাঁদেরই প্রথম চোখে পড়ে, দাউ দাউ করে জ্বলছে গোটা গোডাউন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে চারপাশ। স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। খবর দেওয়া হয় দমকলেও।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের তিনটি ইঞ্জিন। শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে বলেই জানিয়েছেন দমকল কর্মীরা। তবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গোডাউনের ভিতরে লোহা কাটা হয়। তীব্র শব্দ আর দুর্গন্ধে এলাকায় টেকা দায়। আগুনে বেশ কয়েকটি গাড়িও পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, বারবার গোডাউন বন্ধের আর্জি জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

    আগুন লাগার খবর পাওয়ার পরেই ঘটনাস্থলে হাজির হন চন্দননগরের ডেপুটি মেয়র মুন্না আগরওয়াল এবং স্থানীয় কাউন্সিলার মোহিত নন্দী। মুন্না বলেন, ‘গোডাউন নিয়ে আগে কখনও অভিযোগ পাইনি। কী ভাবে আগুন লাগল খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশাসন প্রশাসনের কাজ করবে।’ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। তবে ওই গোডাউনে আগেও আগুন লেগেছিল বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

  • Link to this news (এই সময়)