আনুষ্ঠানিক ভাবে এখনও নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও, ভোটের দামামা কার্যত বেজে গিয়েছে রাজ্যে।। শাসক-বিরোধী দু’পক্ষই ভোটের প্রচারের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। কয়েক দিন আগেই গোটা রাজ্য জুড়ে জনসংযোগের জন্য 'পরিবর্তন যাত্রা' আয়োজন করেছিল BJP। একাধিক শীর্ষ স্থানীয় BJP নেতা-মন্ত্রী দফায় দফায় বঙ্গে এসেছিলেন সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতে। কিন্তু, এ বার একেবারে ‘হাই ভোল্টেজ’ সভা! শনিবার শহরে ‘ব্রেন স্টর্মিং’-এর জন্য আসছেন প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
কিন্তু, সভার বিপুল আয়োজন সবই মাটি হয়ে যাবে, যদি আবহাওয়া বিগড়ে যায়। আবহাওয়া দপ্তরের লেটেস্ট আপডেট বলছে, শনিবার সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা থাকবে। সারাদিনই শহরে কখনও আংশিক আবার কখনও সম্পূর্ণ মেঘলা আকাশ দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, আজ শহরে বৃষ্টিপাতের বড় সম্ভাবনা নেই।
আবহাওয়া দপ্তরের রেকর্ড অনুযায়ী, শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ শনিবারও তাপমাত্রা ২৫ থেকে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকতে পারে। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৫২ শতাংশ থেকে ৯৪ শতাংশের মধ্যে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়বে।
তবে, আজ শহরে বৃষ্টি না হলেও রবিবার দুপুরের পর থেকে কলকাতা-সহ গোটা রাজ্যের সমস্ত জেলাতেই বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হতে পারে। এর প্রভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রাজ্যের প্রায় সব জেলায়। আগামী ১৫ মার্চ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত গোটা বাংলার বিভিন্ন জেলায় দমকা বাতাসের সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, মালদা, দুই দিনাজপুরে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে দুই বর্ধমান, দুই মেদিনীপুর, বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, কলকাতা এবং দুই ২৪ পরগনায় বৃষ্টি বেশি হতে পারে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বজ্রপাতের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে বেশি থাকতে পারে।