• গ্যাসের টানাটানি, চুঁচুড়ার এই আবাসিকদের পাতে তাই এখন ভাত, ডাল, আলুসেদ্ধ
    এই সময় | ১৫ মার্চ ২০২৬
  • সুজয় মুখোপাধ্যায়

    পরিবার-পরিজন নেই বা থেকেও দেখার কেউ নেই, এমন বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সবটুকু দেখাশোনা করে চুঁচুড়া আরোগ্যর গুরুকুঞ্জ। প্রায় ৫০ জন আবাসিক রয়েছেন এখানে। LPG গ্যাসের সঙ্কটে চাপ তাঁদের পাতেও। আপাতত মেনুতে আলুসেদ্ধ, ডালসেদ্ধ, ভাত।

    আবাসিকদের কেউ এসেছেন প্রশাসনের সাহায্যে, কাউকে পুলিশ উদ্ধার করেছিল। সহায়সম্বলহীন সেই মানুষগুলোর ঠিকানা এখন গুরুকুঞ্জ। অনেকে বলেন, এটা বিনা খরচের বৃদ্ধাবাস। যেখানে ৭০-৮০ বছরের দাদু, দিদিমারা থাকেন। সারাদিন একটু কথা বলার মানুষ পান।

    এখানে তাঁদের তিনবেলার খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। সকালে জলখাবার, দুপুরের খাবার ও রাতের খাবার। রান্না করার জন্য ভরসা LPG গ্যাস। কিন্তু এখন একটু টানাটানি চলছে। প্রায় ৫০ জন আবাসিকের রান্নার জন্য মাসে একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার লাগে। তা পেতে সমস্যা হচ্ছে। তা বলে মানুষগুলো তো না খেয়ে থাকবেন না।

    তাই মেনুতে কাটছাঁট করে এখন পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছে। কখনও আলুসেদ্ধ ভাত, কখনও ডাল ভাত দেওয়া হচ্ছে। সঙ্গে হয়ত আরেকটা পদ। আবাসিক দাদু, দিদিমারা অবশ্য হাসিমুখেই তা খাচ্ছেন। আবাসিকরা জানান, আগে ডাল, তরকারি, ভাজা, মাছ দেওয়া হতো। গত কয়েক দিন ধরে গ্যাসের জন্য একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে তাতে তাঁদের কোনও অভিযোগ নেই।

    যিনি এই সংস্থার দায়িত্বে, সেই ইন্দ্রজিৎ দত্ত বলেন, ‘আমাদের মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, যত দিন না গ্যাসের সমস্যা মিটছে, তত দিন মেনুতে একটু কাটছাঁট করতে হবে। তবে আবাসিকরা আছেন, ফলে হেঁশেল চালু থাকবেই।’

  • Link to this news (এই সময়)