ব্রিগেডের উদ্দেশে যাওয়া বিজেপি কর্মীদের বাস ভাঙচুর করা হয়েছে বলে খবর আসে শনিবার সকালেই। তৃণমূল কর্মীরা বাস আটকে বাসে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। সন্ধ্যার মধ্যেই বাসচালকের বয়ান বদল। বিজেপির দাবি, পুলিশের ভয়ে ওই বাস চালক বয়ান বদল করেছেন। শনিবার ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেলদা থানার পাতলি এলাকায়।
শনিবার সন্ধ্যায় চালক রঞ্জিত রাউল বলেন, ‘আহারমুন্ডা থেকে ব্রিগেড যাওয়ার কথা ছিল। ভোররাতে সেখানে যাওয়ার পথে মাঝপথে কয়েকজন যুবক আমার গাড়ি আটকায়। ওরা বিজেপির লোক ছিল। হাতে ওদের দলের পতাকা ছিল। ওরা বলল, আমাদের লোক হয়নি, লোক সর্টেজ হয়ে গিয়েছে, আমরা যাব না। তোমার গাড়িটা ভাঙচুর করব, তুমি তৃণমূলের নামে চাপিয়ে দেবে।’
এর পরেই গাড়ি ভাঙচুর করা শুরু হয়। চালক বলেন, ‘গাড়ি ভাঙচুর করার পর আমি খুব ভয় পেয়ে যাই এবং সেখান থেকে গাড়ি ঘুরিয়ে নিয়ে চলে আসি। সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করলে আমি ভয়ে বলি তৃণমূল ভেঙেছে, কিন্তু তা নয়, বিজেপিই ভেঙেছে। আমি সঠিকভাবে কাউকে চিনতে পারিনি।’
বিষয়টি নিয়ে বিজেপি নেতা গৌরীশঙ্কর অধিকারীর দাবি, ‘পুলিশের পাশে বয়ান বদল করেছেন চালক।’ পুলিশ ভয় দেখানোর কারণেই মিথ্যা বয়ান দিয়েছেন ওই চালক বলে দাবি। অন্য দিকে, নারায়ণগড়ের তৃণমূল বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট বলেন, ‘এটাই আসলে বিজেপির চরিত্র।’