অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়, নয়াদিল্লি
‘শান্তিতে থাকতে দিন৷ ৪০০ বেডের বেসরকারি হাসপাতাল (Private Hospital) প্রয়োজন নেই আমাদের’— দেশের রাজধানী দিল্লির অন্যতম অভিজাত এলাকা গ্রেটার কৈলাস–১ বা জিকে-১এর বাসিন্দারা এই দাবি তুলে এ বার রাস্তায় নেমেছেন৷ ছুটির দিন তো বটেই, সপ্তাহের কাজের দিনগুলিতে সুযোগ পেলেই রাস্তায় জড়ো হয়ে হাতে পোস্টার- প্ল্যাকার্ড নিয়ে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তাঁরা৷ এঁদের মধ্যে আছেন বড় ব্যবসায়ী, চিকিত্সক, চাকরিজীবী, শিক্ষক, ছাত্র এবং গৃহবধূরাও৷
উঠেছে সম্মিলিত স্লোগান— ‘জিকে ওয়ান সেজ়- নো হসপিটাল’৷ যদিও প্রশাসন এই ইস্যুতে পুরোপুুরি নীরব৷ এখানেই না থেমে দিল্লির ‘মিনি কলকাতা’ হিসেবে পরিচিত চিত্তরঞ্জন পার্ক লাগোয়া জিকে-১ এলাকার বাসিন্দারা তাঁদের পরিসরে বেসরকারি সংস্থার হাসপাতাল নির্মাণের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে মামলাও দায়ের করেছেন৷ তারপরেও কী ভাবে বেসরকারি সংস্থা কাজ চালাচ্ছে, প্রশ্ন উঠেছে তা নিয়ে৷
দিল্লি এবং ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়ন বা এনসিআর (NCR) অঞ্চলের একটি প্রভাবশালী হাসপাতাল চেন গ্রেটার কৈলাসের অর্চনা সিনেমা হল কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকায় ৪০০ বেডের হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শুরু করেছে বেশ কিছুদিন হলো৷ এর বিরুদ্ধেই পথে নেমেছে গোটা জিকে-১৷ সেখানকার রেসিডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন বা আরডব্লিউএ-র চেয়ারপার্সন রাজীব কাকারিয়ার যুক্তি, ‘জিকে সংলগ্ন এলাকায় ৪-৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে পাঁচটি বড় বিখ্যাত বেসরকারি হাসপাতাল আছে৷ আছে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস বা এইমস৷ এরপরেও ঘনবসতিপূর্ণ জিকে-১ এলাকায় ৪০০ শয্যার একটি বিশাল বেসরকারি হাসপাতাল তৈরি হলে আমাদের সবার জীবন অতিষ্ঠ হয়ে যাবে৷’ তাঁর সংযোজন, ‘হাসপাতাল চালু হলেই এখানে মারাত্মক ট্র্যাফিক জ্যাম শুরু হবে৷ গাড়ি পার্কিংয়ের সমস্যাও চরম আকার ধারণ করবে৷ থাকছে বায়োমেডিক্যাল বর্জ্যের সমস্যা৷ সাধারণ মানুষের শান্তিতে বসবাস করার পালা সাঙ্গ হবে৷’
দিল্লি হাইকোর্টে (Delhi High Court) এই সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি হয়নি এখনও৷ আদালত কোনও স্থগিতাদেশ জারি করেনি৷ এই পরিস্থিতিতে বেসরকারি সংস্থা তাদের নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে৷ আরডব্লিউএ-র সদস্য রেণু রোসার দাবি, ‘আইন আইনের পথেই চলছে৷ এটা সময়সাপেক্ষ৷ আমরা দিল্লি সরকারের মন্ত্রীদের কাছেও দরবার করেছি৷ এলাকার সাংসদ বাঁশুরি স্বরাজের হস্তক্ষেপ চেয়েছি৷ দিল্লির উপরাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে সাহায্য চেয়েছি৷ আমরা চেষ্টা করছি, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের হস্তক্ষেপ চাওয়ার৷’ জিকে-১ বাসিন্দাদের এই লড়াইয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে আম আদমি পার্টিও৷ যদিও তাতে লাভ বিশেষ কিছুই হয়নি বলে মত আবাসিকদের।
‘শান্তিতে থাকতে দিন৷ ৪০০ বেডের বেসরকারি হাসপাতাল প্রয়োজন নেই আমাদের’— দেশের রাজধানী দিল্লির অন্যতম অভিজাত এলাকা গ্রেটার কৈলাস–১ বা জিকে-১এর বাসিন্দারা এই দাবি তুলে এ বার রাস্তায় নেমেছেন৷ ছুটির দিন তো বটেই, সপ্তাহের কাজের দিনগুলিতে সুযোগ পেলেই রাস্তায় জড়ো হয়ে হাতে পোস্টার- প্ল্যাকার্ড নিয়ে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তাঁরা৷ এঁদের মধ্যে আছেন বড় ব্যবসায়ী, চিকিত্সক, চাকরিজীবী, শিক্ষক, ছাত্র এবং গৃহবধূরাও৷ উঠেছে সম্মিলিত স্লোগান— ‘জিকে ওয়ান সেজ়- নো হসপিটাল’৷ যদিও প্রশাসন এই ইস্যুতে পুরোপুুরি নীরব৷ এখানেই না থেমে দিল্লির ‘মিনি কলকাতা’ হিসেবে পরিচিত চিত্তরঞ্জন পার্ক লাগোয়া জিকে-১ এলাকার বাসিন্দারা তাঁদের পরিসরে বেসরকারি সংস্থার হাসপাতাল নির্মাণের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে মামলাও দায়ের করেছেন৷ তারপরেও কী ভাবে বেসরকারি সংস্থা কাজ চালাচ্ছে, প্রশ্ন উঠেছে তা নিয়ে৷
দিল্লি এবং ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়ন বা এনসিআর অঞ্চলের একটি প্রভাবশালী হাসপাতাল চেন গ্রেটার কৈলাসের অর্চনা সিনেমা হল কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকায় ৪০০ বেডের হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শুরু করেছে বেশ কিছুদিন হলো৷ এর বিরুদ্ধেই পথে নেমেছে গোটা জিকে-১৷ সেখানকার রেসিডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন বা আরডব্লিউএ-র চেয়ারপার্সন রাজীব কাকারিয়ার যুক্তি, ‘জিকে সংলগ্ন এলাকায় ৪-৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে পাঁচটি বড় বিখ্যাত বেসরকারি হাসপাতাল আছে৷ আছে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস বা এইমস৷ এরপরেও ঘনবসতিপূর্ণ জিকে-১ এলাকায় ৪০০ শয্যার একটি বিশাল বেসরকারি হাসপাতাল তৈরি হলে আমাদের সবার জীবন অতিষ্ঠ হয়ে যাবে৷’ তাঁর সংযোজন, ‘হাসপাতাল চালু হলেই এখানে মারাত্মক ট্র্যাফিক জ্যাম শুরু হবে৷ গাড়ি পার্কিংয়ের সমস্যাও চরম আকার ধারণ করবে৷ থাকছে বায়োমেডিক্যাল বর্জ্যের সমস্যা৷ সাধারণ মানুষের শান্তিতে বসবাস করার পালা সাঙ্গ হবে৷’
দিল্লি হাইকোর্টে এই সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি হয়নি এখনও৷ আদালত কোনও স্থগিতাদেশ জারি করেনি৷ এই পরিস্থিতিতে বেসরকারি সংস্থা তাদের নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে৷ আরডব্লিউএ-র সদস্য রেণু রোসার দাবি, ‘আইন আইনের পথেই চলছে৷ এটা সময়সাপেক্ষ৷ আমরা দিল্লি সরকারের মন্ত্রীদের কাছেও দরবার করেছি৷ এলাকার সাংসদ বাঁশুরি স্বরাজের হস্তক্ষেপ চেয়েছি৷ দিল্লির উপরাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে সাহায্য চেয়েছি৷ আমরা চেষ্টা করছি, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের হস্তক্ষেপ চাওয়ার৷’ জিকে-১ বাসিন্দাদের এই লড়াইয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে আম আদমি পার্টিও৷ যদিও তাতে লাভ বিশেষ কিছুই হয়নি বলে মত আবাসিকদের।