• গিরিশ পার্কে সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৯, এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২ পুলিশকর্মী
    এই সময় | ১৫ মার্চ ২০২৬
  • ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনসভার দিনেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল গিরিশ পার্ক এলাকা। তৃণমূল ও বিজেপি-র সংঘর্ষে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল শনিবার। রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজ়ার বাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে কলকাতা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে।

    গিরিশ পার্কে সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে তৃণমূল এবং বিজেপি, দু’পক্ষই শনিবার রাতে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। শশী পাঁজার বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    রাজ্যের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে মার খেয়েছে পুলিশও। ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী। বৌবাজার থানার ওসি বাপ্পাদিত্য নস্করও জখম হয়েছেন। ৮ জন আহত পুলিশকর্মীকে ভর্তি করা হয়েছিল হাসপাতালে। তাঁদের মধ্যে ৬ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এখনও ২ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    তৃণমূলের দাবি, সভায় যাওয়ার সময়ে বাস থেকে নেমে বিজেপি কর্মীরা মন্ত্রীর বাড়ির সামনে ব্যানার ছিঁড়ে ইট–পাটকেল ছুঁড়ছিল। প্রতিবাদ করলে বেধড়ক মারধর করা হয়। রেয়াত করা হয়নি মহিলাদেরও। সেই অভিযোগ খারিজ করে বিজেপি দাবি করেছেন, বাস লক্ষ্য করে তৃণমূলকর্মীরাই ইঁট ছুঁড়ছিল। প্রতিরোধে রাস্তায় নেমেছিলেন বিজেপিকর্মীরা।

    সাংবাদিক সম্মেলনে শশী পাঁজা অভিযোগ করেন, ‘বিজেপি গুন্ডা পুষছে, খুনি পুষছে। এরা মারতে চায়। তৃণমূলের সহকর্মীরা ফ্লেক্স লাগাচ্ছিলেন। আমার বাড়ির সামনে। বিজেপি-র গুন্ডারা বাস থেকে নেমে ফ্লেক্স ছিঁড়ে দেন। আমার সহকর্মীদের মারধর করেন। আমরা প্রতিবাদ জানাই। সরাসরি আমরা পেটে ইট মেরেছে। খুন করার পরিকল্পনা ছিল।’

    অভিযোগ সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা সংসদ সুকান্ত মজুমদার পাল্টা ভিডিয়ো দেখিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। তিনি বলেন, ‘বিজেপির বাস লক্ষ্য করে হামলা করা হয়েছে। প্রতিটি কাউন্সিলার যুক্ত রয়েছেন। তার নেতৃত্বে ছিলেন শশী পাঁজা। পুলিশ গাড়ি আটকেছে। সভায় যাতে লোকজন না যান, সেই চেষ্টা হয়েছে। বাংলার মানুষ এত বোকা নন।’

  • Link to this news (এই সময়)