• ‘আলু সংগ্রহ’ প্রকল্প চালু রাখল রাজ্য, স্বস্তিতে চাষিরা
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ১৫ মার্চ ২০২৬
  • গত কয়েকদিন ধরে আলুর দাম কমে যাওয়ায় চাষিদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছিল। চাষিদের দাবি, বর্তমানে ৫০ কেজির একটি আলুর বস্তার দাম ২০০ থেকে ২২০ টাকার বেশি উঠছে না। ফলে উৎপাদন খরচ তুলতে সমস্যায় পড়ছেন অনেকেই। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আলু চাষিদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছিল।

    এই পরিস্থিতি তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আলুর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বাড়িয়ে কুইন্টাল প্রতি ৯৫০ টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি সমবায় দপ্তরের হিমঘরসহ রাজ্যের বেশিরভাগ কোল্ড স্টোরেজ এই প্রকল্পে অংশ নিচ্ছে। ছোট ও প্রান্তিক চাষিদের সুবিধার জন্য রাজ্যের হিমঘরগুলিতে ৩০ শতাংশ জায়গা সংরক্ষিত রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

    চাষিদের আরও একটি অন্যতম অভিযোগ, অন্যান্য সব রাজ্যে আলু পাঠাতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আন্তঃরাজ্য বাণিজ্যে কোনও বাধা নেই। রাজ্যের মানুষের চাহিদা মিটিয়ে অন্য রাজ্যে আলু পাঠাতে চাইলে সরকার তাতে বাধা দেবে না। বরং কৃষকদের স্বার্থে এ ধরনের বাণিজ্যকে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, বাংলার কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় রাজ্য সরকার সব সময়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    অন্যদিকে, এই ইস্যুতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করা হয়েছে বিজেপির তরফে। সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা এলাকায় এক ভাগচাষির আত্মহত্যার ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ব্রিগেডের সভা থেকেও তিনি বিষয়টি উল্লেখ করেন। এছাড়া রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দাবি করেন, ভবিষ্যতে বিজেপি ক্ষমতায় এলে আলু চাষিরা ন্যায্য দাম পাবেন।
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)