রবিবার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশিত হয়েছে। ‘আদর্শ আচরণবিধি’ লাগু হয়েছে গোটা রাজ্যে। তবে মালদা জেলায় ভোটাধিকার প্রয়োগের ভাগ্য ঝুলে রয়েছে কমবেশি ৮ লক্ষ ভোটারের। আগামী ২৩ এপ্রিল ভোট হবে মালদায়। আদৌ কি তাঁরা ভোট দিতে পারবেন? সংশয় থেকেই যাচ্ছে। সোমবার মালদহের জেলাশাসকের দপ্তর চত্বরে বিক্ষোভ দেখালেন ‘অ্যাজুডিকেটেড’ ভোটারদের একাংশ।
মালদা মুসলিম মাইনরিটি ফোরামের নেতৃত্বে এ দিন আন্দোলনে সামিল হন কয়েকশো ভোটার। প্রত্যেক বৈধ ভোটারের ভোটদানের অধিকার নিশ্চিত করার দাবি করেন আন্দোলনকারীরা। এ দিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আন্দোলনকারীরা এসে মালদা শহরে জমায়েত হয়। প্ল্যাকার্ড এবং জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মিছিল করে জেলাশাসকের দপ্তর চত্বরে ঢুকতে গেলে তাঁদের বাধা দেয় পুলিশ। কালেক্টরেট চত্বরে ঢোকার গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাধা পেয়ে সেখানেই বসে পড়েন অবস্থান আন্দোলন শুরু করেন প্রতিবাদীরা। পরে সংগঠনের এক প্রতিনিধি দল মালদহের জেলাশাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেয়।
রাজনৈতিক দলগুলি ইতিমধ্যেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতেই যাতে প্রচার ঝাঁপিয়ে পড়া যায়, সেই প্রস্তুতি সেরে রাখছে। বিজেপির মালদা দক্ষিণ সাংগঠনিক সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, সাতটি বিধানসভা ক্ষেত্রে ১০০-র বেশি প্রার্থী হওয়ার আবেদন জমা পড়েছে। তালিকায় অধ্যাপক, চিকিৎসক ও আইনজীবিরা রয়েছেন। আবেদনকারীদের প্রোফাইল ছয়টি এজেন্সি মারফৎ পরীক্ষা করা হয়েছে। তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতেই প্রার্থী চূড়ান্ত হবে।
জেলা তৃণমূলের এক নেতার বক্তব্য, ‘আমাদের দলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হয় কালীঘাট থেকে। সেই তালিকা জেলা থেকে কারা স্থান পেয়েছেন কারা পাননি সেটা আমাদের জানা নেই। রাজ্যের ২৯৪ টি আসনের প্রত্যেকটিতে আমাদের প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’ অন্য দিকে কংগ্রেস নেত্রী মৌসম নুর বলেন, ‘আমাদের এখনও অনেকজনের নাম বিচারাধীন। তাদেরও দাঁড়ানোর ইচ্ছা থাকতে পারে। তাই যতদিন তার সুরাহা হচ্ছে না, আমরা কিছু বলতে পারব না।’