কালীঘাট থেকে তৃণমূলের প্রার্থী (TMC Candidate List) তালিকা ঘোষণা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার, দুপুরে সাড়ে ৩টে নাগাদ প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হবে। তার আগে সকালে বিশিষ্টদের যোগদান তৃণমূলে। ঝাড়গ্রাম শহর তৃণমূল কার্যালয় থেকে জোড়াফুল পতাকা হাতে তুলে নিলেন সাধু রামচাঁদ মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়ের ল’ অফিসার মঙ্গল সরেন। জেলার রাজনীতিতে জোর জল্পনা, ঝাড়গ্রাম বিধানসভায় তবে কি এ বার তৃণমূলের মুখ হতে চলেছেন আদিবাসী সমাজের জোরাল কণ্ঠ মঙ্গল? এই কেন্দ্রে তৃণমূলের বিদায়ী বিধায়ক মন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা। ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটে এই কেন্দ্রে ইতিমধ্যেই বিজেপি তাদের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে লক্ষ্মীকান্ত সাহুর নাম। সিপিএমের প্রার্থী অর্জুন মাহাতো।
তৃণমূলের জেলা সভাপতি দুলাল মুর্মু, জেলা চেয়ারপার্সন বিরবাহা সোরেন টুডু-সহ তৃণমূলের অন্যান্য নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। তৃণমূলে যোগ দিয়ে মঙ্গল সরেন বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মকাণ্ডে অনুপ্রাণিত হয়ে এ দিন তৃণমূলে যোগদান করলাম। এটাই একমাত্র জায়গা যেখানে মানুষের পাশে থেকে কাজ করা সম্ভব।’
মঙ্গল সরেনের কাছে রাজনৈতিক ময়দান নতুন কিছু নয়। ২০০৪ সালে ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়াই করে তিনি। জয়ের স্বাদ না পেলেও ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার প্রভাব থাকায় ভালোই ভোট পেয়েছিলেন সে বার। বর্তমানে মঙ্গল সাধু রামচাঁদ মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়ের ল’ অফিসার, ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশের আইন বিভাগের দায়িত্বেও ছিলেন।
মঙ্গল সরেনের যোগদান প্রসঙ্গে তৃণমূলের জেলা সভাপতি দুলাল মুর্মু বলেন, ‘মঙ্গল দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলকে আইনি সহায়তা প্রদান করেছেন। এ দিন তিনি মানুষের হয়ে কাজ করার জন্য তৃণমূলে যোগদান করলেন।’