আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রার্থী তালিকায় বরাবরই চমক দেন মমতা ব্যানার্জি। এবারও রয়েছে। প্রতিবারের মতো এবারও বিভিন্ন ক্ষেত্রের নামকরা ব্যক্তিত্বদের প্রার্থী তালিকায় রাখা হয়েছে। যেমন অভিনেতা থেকে অ্যাথলিট রয়েছেন। রয়েছেন সাংবাদিকও। আছেন সঙ্গীত জগতের মানুষও।
মঙ্গলবার বিকেলে বিধানসভা ভোটের প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল। প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী। তিনি তৃণমূলের বিধায়ক ছিলেন। এবার দাঁড়ালেন করিমপুর কেন্দ্র থেকে। শুধু কেন্দ্র বদল হয়েছে তাঁর।
আরেক বিধায়ক ও গায়ক ইন্দ্রনীল সেন দাঁড়িয়েছেন চন্দননগর থেকে। এখানকারই বিধায়ক ছিলেন ইন্দ্রনীল। অভিনেতা অরুন্ধতী মৈত্র (লাভলি)ও বিধায়ক। এবারও দাঁড়িয়েছেন নিজের কেন্দ্র সোনারপুর দক্ষিণ থেকে। অভিনেতা সায়ন্তিকা ব্যানার্জি বরানগরের বিধায়ক ছিলেন। এবারও ওই কেন্দ্রেই তাঁকে টিকিট দিয়েছে তৃণমূল।
প্রাক্তন ফুটবলার বিদেশ বসু দাঁড়িয়েছেন হুগলির সপ্তগ্রাম কেন্দ্র থেকে। এর আগেরবার তিনি দাঁড়িয়েছিলেন উলুবেড়িয়া কেন্দ্র থেকে। এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী স্বপ্না বর্মন এই প্রথম ভোটের ময়দানে। তিনি দাঁড়িয়েছেন রাজগঞ্জ কেন্দ্রে। এছাড়া বাংলার প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল দাঁড়িয়েছেন তুফানগঞ্জ থেকে। মঙ্গলবারই তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। আর বিকেলেই হয়ে গেলেন প্রার্থী।
রয়েছেন আইনজীবীও। কল্যাণ ব্যানার্জির ছেলে শীর্ষাণ্য দাঁড়িয়েছেন উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে।
প্রার্থী তালিকায় আছেন সাংবাদিকরাও। দেবদীপ পুরোহিত দাঁড়িয়েছেন খড়দহ বিধানসভা থেকে। সাংবাদিক কুণাল ঘোষ দাঁড়িয়েছেন বেলেঘাটা কেন্দ্র থেকে।
এটা ঘটনা বাংলা এমন একটি রাজ্য যেখানে রাজনীতিকদের অন্য পরিচয়ও আছে। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কবি ও চিত্রশিল্পী। সেই মমতা বরাবরই বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষদের সমান গুরুত্ব দেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না।
মঙ্গলবারই বিদেশ বসু আজকাল ডট ইনকে জানান, ‘দিদি বিশ্বাস রেখেছেন। এই বিশ্বাসের মর্যাদা রাখার চেষ্টা করব।’ এরপরেই যোগ করলেন, ‘তৃণমূল এই রাজ্যে প্রচুর উন্নয়ন করেছে। ৯৬টি প্রকল্প রয়েছে। আর কী চাই। মমতা ব্যানার্জির মতো জননেত্রী গোটা বিশ্বে আর আছে কিনা সন্দেহ।’
বিদেশ আরও বলেছেন, ‘ফুটবলের লোক তো। আমার চেষ্টাও থাকবে সপ্তগ্রাম থেকে ফুটবলার তুলে আনার। চেষ্টা করব সেখানকার মানুষের পাশে থাকার। দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের চেষ্টা থাকবে।’