বাংলাতেও ডিমের গায়ে লেখা থাকবে এক্সপায়ারি ডেট? খোঁজ নিয়ে যা জানল bangla.aajtak.in
আজ তক | ১৮ মার্চ ২০২৬
ডিমের গায়ে এবার থেকে লেখা থাকবে এক্সপায়ারি ডেট। অর্থাৎ কতদিন পর্যন্ত ওই ডিম খাওয়া যাবে, তা লেখা থাকবে ডিমের খোসার উপরেই। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশে এই নিয়ম জারি করা হয়েছে। এরপর থেকেই শুরু হয়েছে আলোচনা। পশ্চিমবঙ্গতেও কি ডিমের গায়ে এক্সপায়ারি ডেট চালু হতে পারে?
বিষয়টি নিয়ে bangla.aajtak.in -কে ওয়েস্ট বেঙ্গল পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মদন মাইতি বলেন, "বিদেশে ডিমের উপর তারিখ উল্লেখ করার বিষয়টি চালু রয়েছে। আমাদের দেশেও ভ্যালু অ্যাডেড ডিমের উপর তারিখ প্রিন্ট করা হয়। কিন্তু এরফলে প্রতি ডিম উৎপাদনের খরচ ২০ পয়সা বেড়ে যেতে পারে। তবে মনে করা হচ্ছে, বাংলাতে এই নিয়ম চালু হতে পারে। কিন্তু এখন রাজ্যে এরকম নিয়ম নেই। কিন্তু ভ্য়ালু অ্যাডেড ডিমগুলিতে প্য়াকেটের গায়ে ডিমের বেস্ট বিফোর ইউজ লেখা রয়েছে। অন্য কোম্পানিগুলির ক্ষেত্রেও ১৫ দিনের মধ্যে ডিম ব্যবহার করার কথা বলা হচ্ছে।"
বাংলাতে এই নিয়ম চালু হলে কী হতে পারে?
মদন মাইতি জানান, "কেন্দ্র যদি ডিমের উপর তারিখ লেখার নিয়ম চালু করে তাহলে সকলেই তা মানতে বাধ্য। কিন্তু আমাদের রাজ্যে ছোট ছোট পোল্ট্রি চাষি রয়েছে। একটা প্রিন্টিং মেশিন বসাতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা খরচ হয়। এই মেশিন বসানো কি আদৌ সব চাষির পক্ষে সম্ভব? তবে নিয়মটি আইনে পরিণত হলে তো আর কিছু করার নেই...।"
একটি ডিম কতদিনের মধ্যে খাওয়া উচিত?
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, একটি ডিম প্রোডাকশনের পর সাধারণত ১৫ দিনের মধ্যে খেয়ে ফেলা উচিত। যদি ফ্রিজে রাখা হয়, সেক্ষেত্রে মেয়াদ আরও বাড়ে। অন্যথা প্রোডাকশনের পর থেকে দোকান হয়ে বাড়ির কিচেন অবধি যাওয়ার মেয়াদ ১৫ দিনের মধ্যে হওয়া উচিত।