নিজের নাম তালিকায় না দেখে অনুগামীদের নিয়ে প্রকাশ্যে অসন্তোষ উগরে দেন খগেশ্বর। তিনি অভিযোগ করেন, দল তাঁর সঙ্গে অবিচার করেছে। ২০০৯ সালের উপনির্বাচন থেকে শুরু করে টানা চারবার রাজগঞ্জে জয় এনে দেওয়ার পরও তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি। এমনকি বিস্ফোরকভাবে দাবি করেন, ‘আমি টাকার কাছে হেরে গেলাম।’
দীর্ঘদিন ধরে রাজগঞ্জে সংগঠনের শক্তিশালী মুখ হিসেবে পরিচিত খগেশ্বর রায়ের প্রভাব এখনও উল্লেখযোগ্য। ফলে তাঁকে সরিয়ে নতুন মুখ আনা নিয়ে দলের অন্দরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, স্বপ্না বর্মনের মতো জনপ্রিয় ক্রীড়াবিদকে প্রার্থী করে যুব ভোট টানার চেষ্টা করছে তৃণমূল।
এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দলের জেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ঘোষণা করেছেন খগেশ্বর রায়। যদিও ভবিষ্যতে তিনি কী রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেবেন, তা এখনও স্পষ্ট করেননি। ভোটের আগে এই পরিস্থিতি তৃণমূলের অন্দরে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকে নজর রাজনৈতিক মহলের।