দলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে পদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেন পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলা নেত্রী শিবানী দে কুণ্ডু। নন্দকুমার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিও তিনি। তমলুক (Tamluk) সাংগঠনিক জেলা মহিলা সভানেত্রীও তিনি। মঙ্গলবার রাতেই সোশ্যাল মিডিয়াতে পদ ছাড়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবারেই দলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় একাধিক আসনে প্রার্থী বদল করা হয়েছে। সেই সঙ্গেই দেওয়া হয়েছে নতুন মুখ। তবে পূর্ব মেদিনীপুর (Purba Medinipur) জেলায় ১৬ আসনের মধ্যে মহিলা প্রার্থী এক জন। শিবানী দে কুণ্ডুর দাবি, জেলায় মহিলা প্রার্থীদের গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এই কারণেই পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, মহিলাদের ৫০% আসন সংরক্ষণের কথা দল বললেও কার্যক্ষেত্রে তা দেখা যায়নি। এই কারণেই পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিবানী।
আজ, বুধবারেই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি নেবেন বলেও সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানিয়েছেন নন্দকুমার (Nandakumar) পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি।
তবে পদ ছাড়লেও দলের এক জন সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ করবেন বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সদস্য ছিলেন শিবানী। ২০২১ সাল থেকে দলের জেলা মহিলা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
একই সঙ্গে তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banjeree) চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করতে বড় ভূমিকা নেবেন মহিলারাই।
তবে এ নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপি (BJP)। নন্দকুমার মন্ডল-২ বিজেপির সভাপতি সন্দীপ চক্রবর্তী বলেন, ‘ নিজে টিকিট না পাওয়ায় প্রতিবাদ করছেন শিবানী দে কুণ্ডু। এখন তিনি মহিলাদের সংরক্ষণের কথা বলছেন। ’ এই কথা কেন লোকসভা এবং পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়ে কেন বলা হয়নি তা নিয়েও প্রশ্ন করেছে বিজেপি।