• দাঁতনের পরে এ বার বকখালির সি-বিচে ভেঙে পড়ল ড্রোন, বাড়ছে রহস্য
    এই সময় | ১৮ মার্চ ২০২৬
  • ফাঁকা সমুদ্র সৈকত। চারিদিকে তেমন কেউ নেই। কিন্তু সৈকতের মাছে পড়ে রয়েছে লাল-হলুদ রঙের কোনও একটা যন্ত্র। মাছ ধরতে যাওয়ার পথে দূর থেকে ওই যন্ত্র দেখে কৌতূহল হয়েছিল মৎস্যজীবীদের। কাছে যেতেই চোখ কপালে ওঠে তাঁদের। লাল ও হলুদ রঙের জেট প্লেনের আদলে একটি যন্ত্র পড়ে রয়েছে ফাঁকা সমুদ্র সৈকতে। বুধবার দুপুর নাগাদ পশ্চিম অমরাবতী গ্রামের কারগিল সি বিচ এলাকায় ঘটনা। জায়গাটি বকখালি সমুদ্র সৈকতের একেবারে কাছেই।

    কাছে যেতেই মৎস্যজীবীরা দেখতে পান, জেট বিমানের মতো যন্ত্রটির মধ্যে তার-যুক্ত যন্ত্রাংশ রয়েছে। মুহূর্তে এলাকায় ভিড় জমে যায়, ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশ। জানা যায় সেটি একটি ড্রোন। উদ্ধার করা হয় ড্রোনটিকে।

    ড্রোনের ডানায় লেখা রয়েছে shikra drone. এটি একধরনের এরিয়াল টার্গেট ড্রোন, Anadrone System এটি তৈরি করে। ভারতীয় নৌবাহিনী ও বায়ুসেনার মহড়ায় ব্যবহৃত হয়। একাধিক প্রতিরক্ষা প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত হয়। উচ্চ পার্বত্য এলাকা, সমুদ্র বা স্থলভাগে অপারেশনের ক্ষেত্রে, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম টেস্টিংয়ের সময়ে এই ধরনের ড্রোন ব্যবহার করা হয়। প্রপেলার এবং জেট পাওয়ার্ড- দু’ভাবেই এই ড্রোন পাওয়া যায়।

    যদিও কী ভাবে বকখালির কাছে এই ড্রোন এসে উপস্থিত হলো, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি নিয়ে আতঙ্ক রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। গোটা ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    এ দিনই পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন-১ ব্লকের শরশঙ্কা সংলগ্ন বকুলতলার কাজুচক এলাকার ধানজমিতে ভেঙে পড়েছিল প্লেনের মতো দেখতে একটি ড্রোন। যদিও দাঁতন থানার আইসি বিশ্বজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘ড্রোনটি ইন্ডিয়ান অয়েলের। ওদের পাইপ লাইনের কাজ চলছিল। সেই কাজের নজরদারির জন্যই ড্রোন ওড়ানো হয়। আতঙ্কিত হওয়ার মতো কোন ঘটনা নয়।’

  • Link to this news (এই সময়)