আজকাল ওয়েবডেস্ক: রবিবার ভোটের দিন ঘোষণা হতেই একের পর এক আধিকারিকদের বদলির নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একাধিক পুলিশ আধিকারিক ও সচিবদের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, কোনওরকম ভোটের কাজে তারা যুক্ত থাকতে পারবেন না। এদিকে, বুধবারই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নবান্ন জানিয়েছিল যে ২০ জন আইপিএস অফিসারকে বদল করা হয়েছিল, তাঁদের জন্য নতুন অনির্বাচনী পদের নির্দেশিকা জারি করা হল।
কিন্তু রাতেই রাজ্যের নির্দেশিকা খারিজ করে দেয় কমিশন। যদিও তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পিছু হঠল কমিশন। বলা হয়েছে, পাঁচ আইপিএস অফিসারকে এখনই অন্য রাজ্যে যেতে হচ্ছে না। তাঁদের রিজার্ভে রাখল নির্বাচন কমিশন। তাঁরা হলেন, মুরলিধর শর্মা, ওয়াকার রাজা, প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠী, আকাশ মাঘারিয়া এবং আমনদীপ।
পরবর্তী নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত বাংলাতেই কাজ করবেন তাঁরা। বাকিদের পাঠানো হবে ভিনরাজ্যে। জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ু এবং কেরলে অবজার্ভার হিসাবে কাজ করবেন তাঁরা।
প্রসঙ্গত, রবিবার মাঝরাত থেকে শুরু হয়েছিল এই বদলির কাজ। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে বদলির নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। কিন্তু এরপরেই পিছু হটে কমিশন। বৃহস্পতিবার জানা গেল, আপাতত পাঁচ জন আইপিএসকে ভিনরাজ্যে যেতে হচ্ছে না।
এদিকে, কমিশনের এই ‘অতি সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এভাবে বদলির পদক্ষেপে বিরক্তি প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না করেই বা কোনও মতামত না নিয়েই এই বদলি করা হচ্ছে। এমনকী এই বিষয়ে মমতা নিশানা করেন বিজেপিকেও।