প্রতি দফা ভোটে ২৫০০ কোম্পানি বাহিনী, বুথের বাইরের ‘হুমকিতে’ও পুনর্নির্বাচন
দৈনিক স্টেটসম্যান | ১৯ মার্চ ২০২৬
এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন। কোথায় কত বাহিনী প্রয়োজন, কোন কোন বুথ স্পর্শকাতর, এবং কীভাবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়—এসব নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর বাহিনী মোতায়েনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তবে এবার শুধু সংখ্যায় নয়, কৌশলগত দিক থেকেও নতুনত্ব আনছে কমিশন। আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজ মূলত ভোটকেন্দ্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত কিন্তু এবার সেই সীমা বাড়ানো হচ্ছে। বুথের বাইরে কোনও অশান্তি, ভয় দেখানো বা ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা হলে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারবে। এমনকি গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হলে পুনর্নির্বাচনের কথাও ভাবা হতে পারে। ছাপ্পা ভোট, বুথ দখল বা হিংসার মতো ঘটনাকে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে কমিশন।
এছাড়াও ‘ট্রাবল মঙ্গার’দের চিহ্নিত করে তাদের এলাকায় বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। ইতিমধ্যেই কলকাতায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ শুরু হয়েছে। শহরের জন্য আলাদা রুট ম্যাপ তৈরি করে বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছে পুলিশ। লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ কোম্পানি বাহিনী ইতিমধ্যেই শহরে পৌঁছেছে। পরবর্তীতে একই কৌশলে রাজ্যের অন্যান্য জেলাতেও রুট মার্চ করা হবে, যাতে সাধারণ ভোটাররা নিরাপদ পরিবেশে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।