দেওয়াল লিখন ঘিরে অশান্তি হুগলির সপ্তগ্রাম বিধানসভায় (Saptagram Assembly)। সিপিএম (CPIM) কর্মীকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের। পাল্টা তাদের দাবি, তৃণমূলের দেওয়াল দখল করে চুনকাম করছিল সিপিএম। হুগলির সপ্তগ্রাম বিধানসভার অন্তর্গত বাঁশবেড়িয়া এলাকার ঘটনা।
বাঁশবেড়িয়া গ্যাঞ্জেস জুটমিলের দেওয়াল লেখাকে কেন্দ্র করে অশান্তির সূত্রপাত। সপ্তগ্রাম বিধানসভা থেকে সিপিএমের প্রার্থী করা হয়েছে অনির্বাণ সরকারকে। সিপিএমের অভিযোগ, দলের প্রার্থীর সমর্থনে দেওয়াল লিখছিলেন সিপিএম কর্মী-সমর্থকরা। তৃণমূলের লোকেরা গিয়ে দেওয়াল মুছতে বলেন। সিপিএম কর্মীরা রাজি না হওয়ায় তাঁদের উপরে চড়াও হন তৃণমূলের কর্মীরা। সিপিএমের এক কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে।
বাঁশবেড়িয়া পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর মহম্মদ শাহিদ বলেন, ‘নির্বাচন ঘোষণার আগে থেকেই সিপিএমের কর্মীরা বাঁশবেড়িয়ার একাধিক দেওয়াল দখল করে চুনকাম করতে শুরু করে। আমরা তখনও কিছু বলিনি। এর পরে সিপিএমের কর্মীরা আমাদের তৃণমূলের দেওয়ালগুলোতেও চুনকাম করতে শুরু করে। গত লোকসভায় প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে লেখা দেওয়ালও দখল করে নিয়েছে ওরা। এ নিয়ে সামান্য বচসা হয়েছে, মারধর করা হয়নি।’
পাল্টা সিপিএম প্রার্থী অনির্বাণ সরকার বলেন, ‘আমাদের কর্মীরা দেয়াল লিখছিলেন। সেখানে এসে তৃণমূলের কর্মীরা মারধর করেন। তৃণমূল বার্তা দিতে চাইছে, শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট তারা করতে দেবে না। দেওয়াল লিখন অর্থাৎ প্রাথমিক প্রচারের যে কাজ, সেই কাজ থেকেই বাধা দেওয়া শুরু করেছে। কী ভাবে সাধারণ মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে, তা নিয়ে এখন আমরা সন্দেহ প্রকাশ করছি। নির্বাচন কমিশনকেও অভিযোগ জানাব।’