• ‘যাঁর হাত রক্তে লাল...’, ISF-এ যোগ দিয়ে বিস্ফোরক আরাবুল
    এই সময় | ২০ মার্চ ২০২৬
  • গায়ে সুতোর কাজ করা পাঞ্জাবি, মাথার ফেজ। একেবারে ধোপদুরস্ত হয়ে বেরিয়েছিলেন বাড়ি থেকে। গন্তব্য হুগলির ফুরফুরায় ISF দপ্তর। বৃহস্পতিবার সেখানে গিয়ে ISF-এ যোগ দিলেন ভাঙড়ে তৃণমূলের দোর্দন্ডপ্রতাপ নেতা এবং প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক আরাবুল ইসলাম। ISF-র রাজ্য কমিটির সভাপতি সামসুর আলি মল্লিক তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন।

    ১৬ মার্চ ফুরফুরায় এসেছিলেন আরাবুল। পীরজাদা হোসেন সিদ্দিকীর সামনে তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন আরাবুল। সে দিন তিনি জানিয়েছিলেন কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন রাজনৈতিক জীবন শুরু করবেন। কিন্তু ISF-এ যোগ দেবেন কি না, তা সেদিন স্পষ্ট করেননি তিনি। এ দিন তিনি যোগ দিলেন আইএসএফ-এ। ভাঙড়ে তৃণমূল সওকত মোল্লাকে গুরুত্ব দেওয়ার পর থেকেই বিক্ষোভের সুর শোনা গিয়েছিল আরাবুলের গলায়।

    শেষ পর্যন্ত ভাঙড়ে তৃণমূল সওকত মোল্লাকে প্রার্থী করে। এই ভাঙড়েই এক সময়ে তৃণমূলের বিধায়ক ছিলেন আরাবুল। এই ভাঙড়ের রাজনৈতিক মাটি দখল নিয়েই এক সময়ে আইএসএফ নেতৃত্বকে তোপ দেগেছিলেন আরাবুল ইসলাম। ভাঙড়ে লাগাতার আইএসএফ ও তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষও হয়েছে।

    আরাবুল বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাঙড়ে একজন কুখ্যাত লোককে দায়িত্ব দিয়েছেন। যাঁর হাত রক্তে লাল হয়ে গিয়েছে, সেই রকম লোককে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাথায় তুলেছেন। কুখ্যাত খুনিকে ভাঙড়ে দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন। এই কারণে আজ ISF-এ যোগ দিলাম।’

    আরাবুলের দাবি, ‘অনেক দিন ধরে আলোচনা চলছিল। এ বার যোগদান করলাম।’ সঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘এটা আমার গর্ব যে, আব্বাস সিদ্দিকী, নৌশাদ সিদ্দিকী কে আমি নেতা হিসাবে পেয়েছি।’

  • Link to this news (এই সময়)