আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোমবার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানিয়েছিলেন তৃণমূল ছাড়ছেন। অন্তর থেকে তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন আরাবুল ইসলাম। তাঁকে অপমান, অত্যাচার করা হয়েছিল, তাঁকে জেল খাটানো হয়েছে, বহিষ্কার করা হয়েছে। তারপরেও শওকত মোল্লাকে তৃণমূল যেভাবে প্রাধান্য দিয়েছে সেই অভিমানে দল ছেড়েছিলেন। তারপর থেকেই হাওয়ায় ভাসছিল যে নওশাদ সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)-এ যোগ দিতে পারেন আরাবুল। হলও তাই। বৃহস্পতিবার ফুরফুরা শরিফে গিয়ে আইএসএফ-এ যোগ দিলেন ভাঙড়ের ‘তাজা নেতা’। যদিও কোন আসন থেকে লড়বেন তিনি, সেই ব্যাপারে মুখ খোলেননি আরাবুল
আরাবুল এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “ভাঙড়ে একজন কুখ্যাতকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অত্যাচারী, তোলাবাজ ব্যক্তিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাথায় তুলেছেন। ভাঙড়ে সন্ত্রাসের কারিগর শওকত মোল্লা। ভাঙড়ে শান্তি ফেরানো দরকার। ওখানে নওশাদ ভাই আছেন। তিনি যেভাবে বলবেন, আমি সেই মতো কাজ করব। আমি কয়েক মাস ধরে আইএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করছিলাম। ধীরে ধীরে নানা ধাপ পেরিয়ে আজ এই দলে যোগদান করলাম।”
সোমবার সকালে ফুরফুরা শরিফে গিয়েছিলেন আরাবুল। সেখানে গিয়ে তিনি পিরজাদাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। আরাবুল বলেন, “আজ থেকে তৃণমূলের সঙ্গে আর কোনও সম্পর্ক থাকবে না। তৃণমূলের কোনও নেতার সঙ্গেও যোগাযোগ থাকবে না।” তিনি দাবি করেন, দু’একদিনের মধ্যেই তিনি অন্য কোনও দলে যোগ দেবেন, বসে থাকবেন না। অনেক দলই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলেও দাবি করেন।
ওই দিনই, আরাবুলকে ভাল হওয়ার উপদেশ দেন ত্বহা সিদ্দিকি। তিনি বলেন,”ওঁর দ্বারা হয়তো মানুষ অত্যাচারিত হয়েছে। তবে ও শওকত মোল্লার মত নয়। আরাবুল কোন দল করবে সেটা তাঁর ব্যাপার। যে দলেই যাক মানুষের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করতে হবে। নাহলে রাজনৈতিক দলের নেতারা ক্ষমা করলেও মালিক ক্ষমা করবে না।”