এই সময়, বনগাঁ: প্রার্থী বাছাইয়ে পুরোনোদের উপরেই মতুয়া গড়ে ভরসা রাখলেন বিজেপি নেতৃত্ব। বনগাঁ উত্তর, দক্ষিণ ও গাইঘাটা কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়কদের একই কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে। তবে, মতুয়া অধ্যুষিত বাগদা কেন্দ্রে এ দিন প্রার্থী ঘোষণা হয়নি। বনগাঁর প্রাক্তন জেলা সভাপতি দেবদাস মণ্ডল হাবরা কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন।
বনগাঁ উত্তরে বিজেপির বিধায়ক ছিলেন অশোক কীর্তনিয়া। ২০২১–এ ১০ হাজারের কিছু বেশি ভোটে জিতে বিধায়ক হন।
এ বারেও ফের তাঁকেই প্রার্থী করেছে বিজেপি। অশোকের বিরুদ্ধে তৃণমূলের বাজি বিশ্বজিৎ দাস। অশোক বলেন, ‘দল আমার উপর ফের আস্থা রাখার জন্য ধন্যবাদ। জিতে বনগাঁ উত্তরের মর্যাদা রাখব।’ বিশ্বজিৎ বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে বিধায়ক হিসেবে কোনও কাজ করেননি উনি।’ বনগাঁ দক্ষিণে বিদায়ী বিধায়ক স্বপন মজুমদারকেই প্রার্থী করেছে বিজেপি। সন্ধ্যায় গোপালনগরের পল্লা বাজার ও চাঁদপাড়ায় মিছিল করেন স্বপন। তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী ঋতুপর্ণা আঢ্য। প্রার্থী হওয়ার পরেই স্বপন মজুমদারের চরিত্র নিয়ে মুখ খুলেছিলেন তিনি। এ দিন স্বপন বলেন, ‘অন্যের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ করার আগে তৃণমূল প্রার্থী যেন নিজের এবং তাঁর বাবা শঙ্কর আঢ্যর বিষয়টি ভাবেন।’
বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি দেবদাস মণ্ডলের বাড়িও বনগাঁর মতিগঞ্জে। তাঁকে হাবরা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। দেবদাসের বিরুদ্ধে তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। দেবদাস বলেন, ‘হাবরায় তৃণমূলের পরাজয় নিশ্চিত।’ জ্যোতিপ্রিয় বলেন, ‘গণনার দিন পরিষ্কার হয়ে যাবে, হাবরার মানুষ তৃণমূলের পক্ষেই থেকেছেন।’ অশোকনগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী চিকিৎসক সুময় হীরা। বারাসতে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়।