• ‘লাল বা অরেঞ্জ পোশাক পরুন’, অকপটে বললেন রচনা, ভোটের আগে রং-বিভ্রান্তি?
    এই সময় | ২০ মার্চ ২০২৬
  • ভোট মানেই রংমিলান্তির খেলা। গোটা রাজ্য লাল-গেরুয়া-সবুজ রঙে ভাগ হয়ে যায় আড়াআড়ি। পশ্চিমবঙ্গের ভোট রাজনীতিতে এই রংগুলিতেই চিহ্নিত হয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। রঙের প্রতিফলন দেখা যায় দলীয় পতাকায়। শুক্রবার দলীয় কার্যালয়ে বসে সেই রং নিয়েই এ বার জ্যোতিষ শাস্ত্রের ‘টিপস’ দিলেন হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারকা নেত্রীর কথায়, ‘কালো রং এড়িয়ে যান। শুভ কাজে লাল বা অরেঞ্জ রঙের পোশাক পরুন।’

    শুক্রবার চুঁচুড়ায় বিধানসভার সুগন্ধা এলাকায় সাংসদ কার্যালয়ে আসেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্যকে পাশে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেখানেই রচনা তুলে ধরেন জ্যোতিষের বাণী। কোন দিন কোন রং আপনাকে শুভ কাজে সহায়তা করবে, কোন রং অশুভ— এই সব বার্তা নিয়মিত দিয়ে থাকেন জ্যোতিষীরা। এ দিনের সাংনাদিক বৈঠকে রচনাকে দেখা যায় কমলা রঙের শাড়িতে। তা নিয়ে প্রশ্ন করতে রচনা বলেন, ‘২০২৬ রাহুর বছর। আজকের দিনটা শুভ দিন। ভালো কাজে আমরা এসেছি। যে কোনও সময় ভালো কাজে, শুভ কাজে চেষ্টা করবেন এই বছরে কালো রং এড়িয়ে যেতে। লাল আর অরেঞ্জ রঙের পোশাক পরুন। এ ছাড়া অন্য দিন অন্য কালার রয়েছে।’

    উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে প্রয়াগরাজে পুণ্যস্নানে গিয়েছিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তাঁকে গেরুয়া পোশাকে দেখা গিয়েছিল। এর পরে ত্রিবেনী কুম্ভে সবুজ শাড়িতে তাঁকে দেখা যায়। সেই সময়েই তিনি বলেছিলেন, ‘আমি কালার থেরাপি করি।’ এ দিনের সাংবাদিক বৈঠকেও সেই প্রসঙ্গ উঠে আসে। তখনই উত্তর দেন রচনা। যদিও লাল ও কমলা রঙের সঙ্গে দু’টি বিরোধী রাজনৈতিক দলের (সিপিএম ও বিজেপি) সম্পৃক্ততা রয়েছে। সেই বিষয়টি বোধহয় খেয়াল করেননি রচনা। পাশ থেকে হুগলি সংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূলের নেত্রী প্রিয়াঙ্ক অধিকারী বলে ওঠেন ‘২৬-এর নির্বাচনে কিন্তু লাল বা অরেঞ্জ কোনওটাই আসছে না।’

    প্রসঙ্গত, চুঁচুড়া কেন্দ্রে এ বার প্রার্থী বদল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিদায়ী বিধায়ক ও প্রবীণ নেতা অসিত মজুমদারকে এ বার টিকিট দেয়নি রাজ্যের শাসকদল। সংগঠনের মধ্যেই স্পষ্ট বিভাজন রয়েছে বলে গুঞ্জন রয়েছে দলের মধ্যে। কেন প্রার্থী বদল? বিষয়টি নিয়ে রচনা বলেন, ‘আগের প্রার্থীকে যদি আমরা আবার আনতে চাই তা হলে তাঁর ভালো ব্যবহার, মানুষের বিশ্বাস, আস্থা, ভালবাসা প্রয়োজন। আইপ্যাক সমীক্ষা করে। এই জায়গায় যদি কেউ জয়ী হতে পারে, তা হলে পুরোনো প্রার্থীকে ফের টিকিট দেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্ত দলই নেয়।’

  • Link to this news (এই সময়)