ক্ষোভটা ছিল জেলা স্তরে। এ বার সেই ক্ষোভের আঁচ এসে পড়ল সল্টলেকে বিজেপির সদর দপ্তরে। প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপির নেতা, কর্মীরা। প্রার্থী বদলের দাবিতে এ দিন সল্টলেকে বিজেপির অফিসেই বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। কোনও প্রার্থী দলটাই করেননি কোনওদিন, আবার কোনও প্রার্থী এলাকায় গ্রহণযোগ্য নয়— এ রকম নানা অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান কর্মী, সমর্থকেরা।
মূলত, বেলেঘাটা, এন্টালি, গোসাবা, খণ্ডঘোষ, কুলপি-সহ একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে পছন্দ হয়নি বলে দাবি করেন কর্মীরা। কুলপি থেকে আসা এক বিজেপি কর্মী বলেন, ‘উনি তো দলই করেননি। আগে তৃণমূল করত। জেলা সভাপতির পরিবারের সদস্য। জেলা সভাপতি কমিটি করেছে নিজের লোককে নিয়ে। কেন এই প্রার্থীকে আমরা মেনে নেব?’
বেলেঘাটা প্রার্থীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে আরেক কর্মী বলেন, ‘আমরা সংগঠন করব, নিজেদের পকেটের পয়সা দিয়ে পার্টিটা করব। আর নির্বাচনের সময় এসে মজা নেবে। এটা আমরা কোনও ভাবেই মেনে নেব না। উল্লেখ্য, বেলেঘাটা থেকে পার্থ চৌধুরী, এন্টালি থেকে প্রিয়াঙ্কা টিব্ৰেওয়াল, গোসাবা থেকে বিকর্ণ নস্কর, কুলপি থেকে প্রার্থী করা হয়েছে অবনী নস্করকে।
দলীয় কর্মীদের ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা করেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। দলীয় কার্যালয়ের ভিতরে নিয়ে গিয়ে তাঁদের দাবি নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘বিচ্যুতি দুই একটি থাকবেই। অভিমান থাকবে, আবেগ থাকবে। এটাই প্রমাণ করছে, একটা দল যখন সমাজের স্তরের মানুষকে নিয়ে লড়তে চাইছে, চিকিৎসক থেকে শুরু করে গৃহবধূ প্রার্থী হতে চাইছেন বিজেপির। সেখানে কিছু মানুষ অতিরিক্ত আবেগতাড়িত হয়ে যাচ্ছে।’