আজকাল ওয়েবডেস্ক: গত ২০০০ সালের ১ এপ্রিল খুন হয়েছিলেন তৎকালীন অবিভক্ত উত্তর ২৪ পরগনা জেলার তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি বিকাশ বসু। সেই ঘটনার পর রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়িত পড়ে যায়। স্বামীর মৃত্যুর শোক বুকে নিয়েই রাজনীতির ময়দানে নামেন তাঁর স্ত্রী মঞ্জু বসু। তৎকালীন বিরোধী নেত্রী এবং বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির আহ্বানে।
২০০১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে বামেদের শক্ত ঘাঁটি ভেঙে জয় ছিনিয়ে নেন মঞ্জু বসু। স্বামীর হত্যার বিচার পাওয়ার দাবিতে তারপর থেকে শুরু হয় তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম। তিনবারের বিধায়ক হয়ে তিনি নোয়াপাড়া কেন্দ্রের অন্যতম পরিচিত মুখে পরিণত হন।
তবে সম্প্রতি একটি ঘটনায় মঞ্জু বসুর সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্কে ফাটল ধরে। সেই ঘটনার জেরে অপমানিত বোধ করেন মঞ্জু বসু। এরপর তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হলেও সেখানে আর দেখা যায়নি মঞ্জু বসুর নাম। তার জেরেই ২৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনের ইতি টানার ইঙ্গিত দিলেন মঞ্জু দেবী। বললেন, “স্বামীর মৃত্যুর বিচার পেতে লড়াই করেছি এতদিন। কিন্তু সর্ষের মধ্যেই ভূত থাকলে বিচার পাওয়া কঠিন।”
রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা, তৃণমূলের এক সময়ের লড়াকু মুখ মঞ্জু বসুর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে চলেছে? সেদিকেই এখন নজর সবার।