উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রীর পৌঁছনোর কিছুক্ষণ আগেই সেখানে গিয়ে রাজ্যপাল আরএন রবির সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি সাংসদ ও প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ফলে এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হলেও মুখ্যমন্ত্রী শুরুতেই সেই সম্ভাবনা নস্যাৎ করে দেন।
মার্চের শুরুতেই বাংলায় এক নজিরবিহীন পরিস্থিতিতে রাজ্যপাল পরিবর্তন হয়। বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে হঠাৎই পদত্যাগ করেন সিভি আনন্দ বোস। তাঁর পরিবর্তে তামিলনাড়ুর প্রাক্তন রাজ্যপাল রবীন্দ্রনাথ রবিকে বাংলার নতুন সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। গত ১২ মার্চ তাঁর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বাংলার সংস্কৃতি ও আতিথেয়তার কথা সংক্ষেপে তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘যাঁরা বাংলাকে ভালোবাসেন, বাংলাও তাঁদের ভালোবাসে।‘ তিনি রাজ্যপালের স্ত্রীর সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন, যা রাজ্যপালের কাছে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। এরপরই রাজ্যপাল তাঁকে একদিন চা-চক্রে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।
সেই আমন্ত্রণ রক্ষা করতেই এদিন লোকভবনে যান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, এই সফরের পিছনে কোনও নির্দিষ্ট এজেন্ডা নেই। তবে সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর সম্পর্ক যে কিছুটা তিক্ততায় পৌঁছেছিল, তা অনস্বীকার্য। সেই প্রেক্ষাপটে উভয় পক্ষের এই সৌজন্য বিনিময় সম্পর্ককে স্বাভাবিক ও মসৃণ করার একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ বলেই মনে করা হচ্ছে।