• কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ৭ বছর পর বীজপুরে ঢুকলেন প্রার্থী
    এই সময় | ২২ মার্চ ২০২৬
  • এই সময়, বীজপুর: পুরোনো একটি খুনের মামলায় (Murder Case) কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ পেয়ে অবশেষে দীর্ঘ সাত বছর পর বীজপুর থানা এলাকায় ঢুকলেন বীজপুরের বিজেপি (BJP) প্রার্থী সুদীপ্ত দাস। শনিবার দলীয় কর্মীদের নিয়ে প্রথমে কাঁচরাপাড়া ডাকাত কালীবাড়ি এবং তার পর নিচুবাসায় হনুমান মন্দিরে পুজো দেন তিনি। তৃণমূল কর্মী রাজু কুড়মি খুনে অভিযুক্তের তালিকায় সুদীপ্তর নাম ছিল। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তারও করে। পরে জামিন পেলেও আদালতের নির্দেশে বীজপুর থানা এলাকায় তাঁর ঢোকা নিষিদ্ধ ছিল।

    এলাকায় ঢুকতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের কাছে আবেদন করেন সুদীপ্ত। শুক্রবার আদালত এলাকায় ঢোকার অনুমতি দিয়েছে। এ দিন সুদীপ্ত বলেন, ‘মিথ্যে মামলায় আমাকে ফাঁসানো হয়েছিল। সাত বছর আমি এলাকায় ঢুকতে পারিনি।’ তাঁর দাবি, মিথ্যার বিরুদ্ধে বীজপুরের মানুষ এ বার রায় দেবে। তবে তৃণমূল প্রার্থী, বিদায়ী বিধায়ক সুবোধ অধিকারী বিজেপিকে প্রতিপক্ষ হিসেবেই মানতে নারাজ। সুবোধ বলেন, ‘বীজপুরে ভোট হবে উন্নয়নের নিরিখে। কে কী বলল তাতে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। যেটুকু লড়াই হবে সেটা সিপিএমের সঙ্গে।’ এ দিন হালিশহরের রামপ্রসাদের ভিটেতে কালীমন্দির এবং হাজিনগর হনুমান মন্দিরে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি চারটি শীতলা পুজোতেও জনসংযোগ সারেন সুবোধ।

    জগদ্দলে বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন সদ্য অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস রাজেশ কুমার৷ এলাকায় জল্পনা ছিল এই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন অর্জুন সিংয়ের ঘনিষ্ঠ প্রিয়াঙ্গু পাণ্ডে। আশায় ছিলেন প্রিয়াঙ্গুও। কিন্তু তাঁকে প্রার্থী না করায় দলের অন্দরেই ক্ষোভ জমতে শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে বিজেপি সূত্রে। অভিমান ভাঙাতে প্রিয়াঙ্গুর বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করে কথাও বলেন রাজেশ কুমার। যদিও এ বিষয়ে প্রিয়াঙ্গুকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এ দিন সকালেই গোলঘর ইদগা, মামুদপুর, পানপুর কেউটিয়া, কাউগাছি–১, ২ পঞ্চায়েত এলাকায় গিয়ে সংখ্যালঘু মানুষদের সঙ্গে ইদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি আদিবাসীদের অনুষ্ঠানে সামিল হন জগদ্দলের তৃণমূল প্রার্থী সোমনাথ শ্যাম। নোয়াপাড়ার বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং এবং ব্যারাকপুরের প্রার্থী কৌস্তুভ বাগচীর উপস্থিতিতে তাঁদের সমর্থনে ব্যারাকপুরে একটি কর্মিসভা হয়। ওই সভা শেষে আরজি করের প্রসঙ্গ টেনে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলি দুর্নীতির ঘুঘুর বাসা বলে কটাক্ষ করেন অর্জুন।

    এ দিন নোয়াপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যও ইদের শুভেচ্ছা বিনিময়, জনসংযোগ সারেন। তৃণাঙ্কুর বলেন, ‘অর্জুন সিং যত মুখ খুলবেন, তত আমার ভোট বাড়বে।’ ভোটের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন পানিহাটি ও খড়দহের তৃণমূল প্রার্থী তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং দেবদীপ পুরোহিতও। কামারহাটিতে ইদের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে মুখোমুখি হন এই কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী মানস মুখোপাধ্যায় এবং দমদমের তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। দু’জন সৌজন্য বিনিময়ও করেন।

  • Link to this news (এই সময়)