নয়াদিল্লি: যুদ্ধের তৃতীয় সপ্তাহে এসে শুক্রবারও অব্যাহত বাণিজ্যিক গ্যাস সংকট। এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ নিয়ে জারি রয়েছে টানাপোড়েন। এরইমাঝে হরমুজ পেরিয়ে গুজরাতে নোঙর করেছে ট্যাঙ্কার নন্দাদেবী ও শিবালিক। একাধিক জাহাজ দেশে ফেরানোর প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। এর জেরে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে পরিস্থিতি। সিলিন্ডার বুকিং, ডেলিভারি সহ নানা ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও জটিলতা কেটেছে। পরিসংখ্যান বলছে, ১৩ মার্চ প্যানিক বুকিংয়ের সংখ্যা ছিল ৮৭ লক্ষ ৭০ হাজার। যা এযাবৎ সর্বোচ্চ। বর্তমানে পরিস্থিতির কিছুটা বদলেছে। পেট্রলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মা জানিয়েছেন, ১৮ মার্চ বুকিং ছিল ৫৭ লক্ষ। ১৯ মার্চ তা কমে হয় ৫৫ লক্ষ। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। কারণ যুদ্ধের আগে দিনে গড় বুকিংয়ের পরিমাণ ছিল ৫০-৫৫ লক্ষ। এটি স্বস্তিদায়ক। গত সপ্তাহে তিনি জানান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ১১ হাজার ৩০০ টন এলপিজি সরবরাহ করা হয়েছে। তাই ধীরে ধীরে সিলিন্ডার সরবরাহের সমস্যাও কেটে যাবে।