রাজারহাট-নিউটাউনে (Rajarhat-Newtown) প্রার্থী (BJP Candidate) হতে চেয়ে ‘সিভি’ জমা দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষের পত্নী রিঙ্কু মজুমদার (Rinku Majumdar)। কিন্তু ওই কেন্দ্র থেকে পীযূষ কানোরিয়ার নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। তার পরেই রবিবার ক্ষোভ উগরে দিলেন রিঙ্কু। সাংবাদিকদের স্পষ্ট ভাষায় বলে দিলেন, ‘পার্টিতে আমাদের মতো শিক্ষিত, লড়াকু মানুষের প্রয়োজন। আমরাই তো সোচ্চার হব।’ দুর্নীতির দায়ে ওই বিজেপি প্রার্থী জেল খেটেছেন বলেও কটাক্ষ করলেন তিনি।
ভোট ঘোষণার আগেই বিজেপির মুরলীধর সেন লেনের অফিসে গিয়ে ড্রপবক্সে সিভি জমা দিয়ে এসেছিলেন রিঙ্কু। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। বিজেপি এখনও পর্যন্ত দু’টি প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। দ্বিতীয় তালিকাতেই রাজারহাট-নিউটাউন কেন্দ্র থেকে রিঙ্কুর বদলে পীযূষের নাম ঘোষণা করা হয়। তার পর থেকেই দলের বিরুদ্ধে একাধিক বার ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তবে এই নিয়ে এ দিন সংবাদ মাধ্যমের ঘাড়ে দোষ চাপান রিঙ্কু। তাঁর কথায়, ‘আপনারা আমার পুরো বক্তব্য প্রকাশ করছে না।’
টিকিট পাওয়ার জন্য তিনি মরিয়া নন বলেও এ দিন দাবি করেন রিঙ্কু। দিলীপের প্রশংসাও শোনা যায় তাঁর মুখে। রিঙ্কু বলেন, ‘একজন মাস লিডারের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছে। আমরা পার্টিটাকে ভালোবাসি। এটাই আমার অ্য়াচিভমেন্ট। টিকিট পাওয়ার জন্য ডেসপারেট নই।’ তবে এখানে একটা ‘কিন্তু’ আছে। রিঙ্কু নিজেই সেই প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘কিন্তু পার্টিতে আমাদের মতো শিক্ষিত, লড়াকু মানুষের প্রয়োজন। আমরাই তো সোচ্চার হব।’
রাজনীতি ‘দূষিত’ হয়ে গেলে শিক্ষিত মানুষের প্রয়োজন হয় বলেও দাবি করেন রিঙ্কু। একই সঙ্গে এদিন তিনি বলেন, ‘আমি ন্যায়ের পক্ষে থাকব। অন্যায়ের বিরুদ্ধে। এটাই আমার বার্তা।’ পাশাপাশি বড় পদ পাওয়ার কোনও লোভ নেই বলেও দাবি করেন তিনি। রিঙ্কুর কথায়, ‘ তা হলে তো চুপ করে থাকতাম। কিন্তু তা করিনি। তাই উচিত কথাটা বলতে পারছি।’
বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে নিজের ক্ষোভ গোপন করেননি রিঙ্কু। তবে একবারও পীযূষের নাম নেননি তিনি। রিঙ্কু প্রশ্ন তোলেন, ‘রাজারহাট-নিউটাউনে বহু সরকারি, বেসরকারি অফিস রয়েছে। অনেক টাকা রাজস্ব ওঠে। এখানে যাঁকে প্রার্থী করা হলো, তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চলছে।’ বিজেপিকে তাঁর পরামর্শ, ‘কোনও পরিচারিকাকে প্রার্থী করতে পারতেন।’