আলিগড়: ধর্ষণের অভিযোগ জানাতে থানায় গিয়েছিলেন ২৫ বছরের তরুণী। অভিযোগ দায়ের করার বদলে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার কথা বলে এক পুলিশ কনস্টেবল। উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ের এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই অভিযুক্তকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। নির্যাতিতার অভিযোগ, এক ব্যক্তি বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করেছে। সেই অভিযোগ জানাতে কোয়ারসি থানায়ে গিয়েছিলেন তিনি। এরপর কর্মরত কনস্টেবল ইমরান খান তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ফোনে অভিযুক্ত তরুণীকে একটি ‘আপত্তিকর’ ছবি পাঠাতে বলে। এমনকি, হোটেলে দেখা করে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতেও বলে অভিযুক্ত। কনস্টেবল দাবি করেছিল, তরুণী যদি যৌন সম্পর্কে রাজি হয়, সেক্ষেত্রে দ্রুত তাঁর অভিযোগ গৃহীত হবে। অভিযুক্তকে জেলে ঢোকানো হবে। তার পরিবর্তে যদি তরুণী কাউকে এ বিষয়ে জানান, তাহলে তাঁকেই জেল হেপাজতে পাঠানো হবে। তরুণীটি এই কথোপকথনের অডিও রেকর্ড করেছিলেন। ঊর্ধ্বতন পুলিশ আধিকারিকদের কাছে সেটি জমাও দেন তিনি। এরপর শুরু হয় তদন্ত। অভিযুক্ত কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। যৌন হেনস্তা ও ভয় দেখানোর ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।