• পুরসভার পরিষেবার ফল মিলবে, শহরেও লিডের আশা কানাইয়ার
    বর্তমান | ২৩ মার্চ ২০২৬
  • কাজল মণ্ডল, ইসলামপুর: এবার ফসল তোলার পালা। টানা ২৫ বছর ইসলামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান থাকার সুবাদে শহরের বাসিন্দাদের পুর পরিষেবা পৌঁছে দিয়েছেন কানাইয়ালাল আগরওয়াল। এবার ইসলামপুর কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন। তাই শহরেও লিড পাবেন বলে আত্মবিশ্বাসী তিনি।

    যদিও বিরোধীরা এসব মানতে চাইছে না। তাদের দাবি, পুর পরিষেবার প্রভাব বিধানসভা নির্বাচনে পড়বে না। কানাইয়া বলেন, এবার শহরে আমরা লিড পাব। দীর্ঘদিন চেয়ারম্যান আছি। শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। সব সময় তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছি। পুর পরিষেবা দিতে ভেদাভেদ করিনি। প্রচারেও ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি।

    শহরে তৃণমূল লিড পাবে না বলে বিদায়ী বিধায়ক তথা বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা আব্দুল করিম চৌধুরী দু’মাস আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। এখন রাজনৈতিক মহলের আলোচনা, গত নির্বাচনগুলির ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে গ্রামাঞ্চলে তৃণমূল লিড পাচ্ছে। কিন্তু শহরে ঢুকলেই সব গোলমাল হয়ে যায়। ১৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৪টিই তৃণমূলের দখলে। তার পরেও লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে পিছিয়ে থাকছে দল। শহরের ভোটাররা পুর নির্বাচনে তৃণমূলের পক্ষে ভোট দিলেও লোকসভা ও বিধানসভায় সমীকরণ বদলে যাচ্ছে। এবারও কি সেই ধারা অব্যাহত থাকবে? নাকি চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ায় অঙ্ক বদলাবে?

    বিজেপির জেলা সহ সভাপতি সুরজিৎ সেন বলেন, পুরসভায় এখনও বাড়ি বাড়ি নলবাহী জলের পরিষেবা নেই। যানজট সমস্যার সমাধান হয়নি। নিকাশি ব্যবস্থাও অপরিকল্পিত। পুরসভা হলেও পঞ্চায়েত এলাকার চেয়ে বেহাল পরিষেবা মিলেছে কানাইয়ার জমানায়। মানুষ এর জবাব দেবে। এবারও আমরা শহরে লিড পাব।

    বিশ্লেষকদের মতে, ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে ইসলামপুর কেন্দ্রে দু’লক্ষের কিছু বেশি ভোটার ছিলেন। ভোট পড়েছিল ১ লক্ষ ৬৭ হাজার। সেবার তৃণমূল পেয়েছিল ১ লক্ষ ১৩১ ভোট। বিজেপি পায় ৬২ হাজার ৬৯১টি। এর মধ্যে শহর এলাকা থেকে প্রায় ১৩ হাজার ভোট পেয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী। বিজেপির পক্ষে ছিল ২০ হাজার।

    সিপিএম নেতা বিকাশ দাস বলেন, অন্য দলের বিষয়ে মন্তব্য করব না। তবে এবার আমাদের ভোট ব্যাঙ্ক ফিরিয়ে আনব। 
  • Link to this news (বর্তমান)