সংবাদদাতা, খড়্গপুর: রবিবাসরীয় প্রচারে ঝড় তুললেন খড়্গপুর সদরের তৃণমূল, বিজেপি ও সিপিএম প্রার্থীরা। এদিন নিজের মেজাজেই ধরা দেন বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। রবিবার দুপুরে খড়্গপুর শহরের ইন্দায় ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী প্রণবানন্দের ১৩১তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন দিলীপবাবু। সেখানে আরতি করার সময় ‘তরোয়াল’ ঘোরাতেও দেখা গেল তাঁকে। এনিয়ে দিলীপবাবু বলেন, তরোয়াল তো বীরত্ব আর আত্মরক্ষার প্রতীক। আর এখানে নিয়ম আছে, তরোয়াল ঘুরিয়ে আরতি করতে হয়। সেটাই করলাম। আগে গত শুক্রবার বিকেলে শ্যামবাবা মন্দির সংলগ্ন মাঠে রামনবমীর আখাড়া প্রশিক্ষণ শিবিরেও তরোয়াল ঘোরাতে দেখা গিয়েছিল বিজেপির এই প্রাক্তন রাজ্য সভাপতিকে। এদিন সকালে খড়্গপুর শহরের তালবাগিচায় সবজি বাজারে প্রচার সারেন সদরের তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকার। প্রার্থীকে কাছে পেয়েই সবজি বাজারের ব্যবসায়ীরা বাজারের মধ্যে নিকাশি নালার সমস্যার কথা বলতে থাকেন। তাঁদের আশ্বস্ত করেন প্রদীপবাবু। মূলত রাজ্যের উন্নয়নই তাঁকে জেতাবে বলে ভরসা রাখছেন এই প্রার্থী । এরপর তালবাগিচায় প্রদীপের সমর্থনে একটি কর্মিসভাও হয়। যেখানে ছিলেন পুর চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ, কাউন্সিলার অপূর্ব ঘোষ প্রমুখ। প্রার্থী প্রদীপ সরকার বলেন, বিজেপির বিধায়ক তথা খড়্গপুর পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর ক্ষোভ রয়েছে। প্রয়োজনে তাঁকে কাছে পাননি বাসিন্দারা। আমি বলছি না, খড়্গপুর শহরের মানুষই বলছেন। আমরা সেই সমস্ত কাজ করব।অন্যদিকে, এদিন দুপুরে খড়্গপুর শহরের ছোট ট্যাংরায় প্রচার সারেন সিপিএম প্রার্থী মধুসূদন রায়। সেইসময় রাস্তার পাশে সবজি কিনছিলেন এক তরুণী। মধুসূদনবাবু তাঁর উদ্দেশ্যে হাতজোড় করে বলেন, ‘আপনি তো একজন মেয়ে। এখন কি মেয়েদের কোনো সম্মান, সুরক্ষা আছে? আমার বাড়িতেও আমার ছোট বোন আছে। সে টিউশনে গেলে আমিও ভয়ে থাকি। এমন কি আগে ছিল বলুন? দয়া করে এই পরিস্থিতি বদলান। পরিবর্তন আনুন। মেয়েদের সম্মান, সুরক্ষা বামেরাই দিতে পারে। • ভোটপ্রচারে খড়্গপুরের দুই প্রার্থী (বাঁদিকে) বিজেপির দিলীপ ঘোষ, (ডানদিকে) প্রদীপ সরকার। -নিজস্ব চিত্র