এই সময়, জলপাইগুড়ি: ‘আগামী কাল থেকে প্রতিটি বুথে মিটিং করতে হবে। না করলে আমরা বিকল্প তৈরি করে নেব। এখানে যুব নেতৃত্বরা আছেন। নির্বাচনে তোমাদের অ্যাক্টিভিটি ভালো নয়। তোমরা যদি পার্টির কাজ না কর, তাহলে পার্টিও তোমাদের পাশে থাকবে না।’ করলাভ্যালি চা বাগানে (Karalavalley Tea Garden) নির্বাচনী বৈঠকে গিয়ে দলের একাংশ কর্মীদের এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন জলপাইগুড়ি সদর বিধানসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ দাস। অরবিন্দ গ্রাম পঞ্চায়েতের করলাভ্যালি চা বাগান এলাকার দলীয় কর্মীদের একাংশের গাছাড়া মনোভাব নিয়ে তিনি বেজায় ক্ষুব্ধ। ওই এলাকায় দলের কিছু কর্মী গোপনে বিজেপির হয়ে কাজ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
শুক্রবার রাতে করলাভ্যালি চা বাগানের বড় লাইনের মাঠে সভার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু ওই বাগানের বাসিন্দা আইএনটিটিইউসি সদর ব্লক ২–এর সভাপতি রাজু সাহানি এবং আইএনটিটিইউসির জেলা সাধারণ সম্পাদক মহেশ রাউটিয়াকে সভায় উপস্থিত থাকতে দেখা যায়নি। সভায় কর্মীদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য কম। বহু চেয়ার ফাঁকা ছিল। যা দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন কৃষ্ণ। এ নিয়ে অরবিন্দ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রাজেশ মণ্ডল বলেন, যেহেতু নির্বাচনের উত্তাপ এখনও সে ভাবে ওঠেনি, তাই ঘোষনা হয়নি তাই কর্মীদের মধ্যে একটা ঢিলেঢালা মনোভাব রয়েছে। পরে অবশ্য সব ঠিক হয়ে যাবে।’ সভায় না থাকা রাজু সাহানি বলেন, ‘আমি ওই সময়ে রাজগঞ্জ এলাকায় নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত ছিলাম। তাছাড়া এই সভার কথা আমাকে জানানো হয়নি।’ মহেশ রাউটিয়াও জানান, তাঁকে সভায় ডাকা হয়নি।