• সরকারি অফিসের দেওয়াল লিখন মুছতেই কমিশনের কর্মীদের মারধরের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ তৃণমূল কর্মী
    এই সময় | ২৩ মার্চ ২০২৬
  • অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করানোর লক্ষ্যে একাধিক কড়া নির্দেশিকা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পুলিশ প্রশাসনের সব স্তরের আধিকারিকদের স্পষ্ট নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে ভয়মুক্ত, হুমকি-হীন নির্বাচন করার জন্যে। এর মাঝেই কমিশনের দুই আধিকারিককে মারধরের ঘটনা ঘটল ঘটনাস্থল দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রে। ঘটনায় তিন জন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম প্রসেনজিৎ মহাদানি, নন্দলাল শাহ ও রবি পাসোয়ান। প্রসেনজিৎ ও নন্দলালের বাড়ি করঙ্গপাড়ায়। রবির বাড়ি স্থানীয় লিলুয়াবাঁধ এলাকায়।

    রবিবার দুর্গাপুরের করঙ্গপাড়া এলাকায় দেওয়াল লেখা মুছে দেওয়াকে কেন্দ্র করে গোলমালের সূত্রপাত। অভিযোগ, করঙ্গপাড়ায় একটি ডাকঘরের দেওয়ালে প্রচারের বার্তা লেখে তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচনী আচরণবিধি লাগু হয়ে যাওয়ার পরে কোনও সরকারি প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক দলের পোস্টার, ব্যানার, দেওয়াল লিখন করা যায় না। খবর পেয়ে নির্বাচণ কমিশনের দুই কর্মী পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে রবিবার সকালে করঙ্গপাড়ায় আসেন। দেওয়াল লিখন মুছে দেন তাঁরা।

    অভিযোগ, ফেরার পথে তাঁদের উপরে আক্রমণ করা হয়। প্রায় ১৫-২০ জন যুবক ওই কর্মীদের মারধর করেন। নির্বাচণ কমিশনের দুই কর্মী সূর্যকান্ত পাল ও বিট্টু গুপ্তাকে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়। আক্রমণকারীরা এলাকায় তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত, এমনটাই অভিযোগ।

    এই ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার বিকেলে কোক ওভেন থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। মারধরের ঘটনায় চার তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে বিজেপি। ঘটনার তদন্তে নেমে তিন জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কবি দত্ত বলেন, ‘ডাকঘর ভবনটি একজন ব্যক্তির মালিকানাধীন। ভাড়া নিয়ে ডাকঘর চলছে। ওটা সরকারি সম্পত্তি নয়। ভবনটির মালিক দেওয়াল লেখার জন্য ছাড়পত্র দিয়েছেন। তবে নির্বাচন কমিশনের কর্মীদের আক্রমণ করার ঘটনা সমর্থন করি না।’

  • Link to this news (এই সময়)