• মালদায় প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়কের গাড়ি থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, গ্রেফতার মোট ৬
    আজ তক | ২৩ মার্চ ২০২৬
  • Malda Ex Congress MLA Arrest: লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই উত্তপ্ত মালদহ জেলা। শনিবার রাতে পুরাতন মালদহ থানার ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের চেঁচুমোড় এলাকায় নাকা চেকিংয়ের সময় কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক তথা দলের জেলা সহ-সভাপতির গাড়ি থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    এই ঘটনায় মানিকচকের প্রাক্তন বিধায়ক মুত্তাকিন আলমের ছয় আত্মীয়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ভোট ঘোষণার পর যখন কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারিতে জেলাজুড়ে তল্লাশি চলছে, তখন খোদ রাজনৈতিক নেতার গাড়ি থেকে পিস্তল মেলায় জেলার নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের নাম আসিফ ইকবাল, তাসেম আলি, হানজেলা শেখ, মহম্মদ নুরুল, রবিউল ইসলাম এবং ওয়াসিম আক্তার। এঁদের প্রত্যেকের বয়স ৩০ থেকে ৩৫-এর মধ্যে এবং বাড়ি ইংরেজবাজার এলাকায়। শনিবার ইদ উৎসবের রাতে একটি গাড়ি চেপে তাঁরা ইংরেজবাজার থেকে গাজোলের পাণ্ডুয়ায় ঘুরতে যাচ্ছিলেন। পথে চেঁচুমোড়ে পুলিশ গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালাতেই একটি সেভেন এমএম পিস্তল উদ্ধার হয়। তদন্তে জানা যায়, গাড়িটি প্রাক্তন বিধায়ক মুত্তাকিন আলমের। এই খবর জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে যায়। ধৃতদের রবিবার মালদহ আদালতে পেশ করা হয়েছে।

    এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে হাত শিবিরের বিরুদ্ধে। পুরাতন মালদহ পুরসভার চেয়ারম্যান বিভূতি ঘোষের দাবি, “ভোট ঘোষণার পর লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কেন তা করা হলো না? আসলে এলাকায় সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে কংগ্রেস।”

    যদিও কংগ্রেসের জেলা কার্যনির্বাহী সদস্য মান্তু ঘোষের পালটা দাবি, বন্দুকটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং ভুলবশত গাড়িতে থেকে গিয়েছিল। এই নিয়ে কারও কোনও গাফিলতি নেই এবং তৃণমূলের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এদিকে গোটা বিষয়টি নিয়ে মালদহ দক্ষিণর সাংসদ ইশা খান চৌধুরী বা মুত্তাকিন আলমের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি। বন্দুকটি আসল না নকল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


     
  • Link to this news (আজ তক)