স্থানীয় সূত্রের খবর, মাঠ থেকে দ্রুত জল বের করতে একাধিক উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন পাম্প বসানো হয়েছে। পাশাপাশি কাদা ঢাকতে ট্রাকভর্তি সাদা বালি ফেলা হচ্ছে, যাতে অল্প সময়ের মধ্যেই জমি সভার উপযোগী হয়ে ওঠে। রাতভর এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন কর্মীরা ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা। লক্ষ্য, নির্ধারিত সময়ের আগেই সম্পূর্ণভাবে সভাস্থল প্রস্তুত করা।
এদিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। সোমবার সকাল থেকেই এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। আকাশপথে একাধিকবার হেলিকপ্টারের মহড়া দিয়েছে। মূলত নিরাপত্তা ও লজিস্টিক ব্যবস্থার খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখার অংশ বলে দাবি প্রশাসনের। সভাস্থল ও আশপাশের এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল পুলিশবাহিনী।
রাজনৈতিক দিক থেকেও এই সভার গুরুত্ব যথেষ্ট। পাথরপ্রতিমা দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এই কেন্দ্রের তিনবারের বিধায়ক সমীরকুমার জানা এবার চতুর্থবারের জন্য নির্বাচনী ময়দানে নেমেছেন। স্থানীয়দের কাছে ‘ভূমিপুত্র’ হিসেবে পরিচিত তিনি নিজের সংগঠন ও জনসংযোগের জোরে এলাকায় শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন বলে দলের দাবি।
এদিকে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের দাবি, প্রাকৃতিক বিপর্যয় সত্ত্বেও সভা ঘিরে মানুষের আগ্রহে কোনও ভাঁটা পড়েনি। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী রজতকুমার মান্না বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে মাঠ ভিজে থাকলেও যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চলছে। আমরা আশা করছি, নির্ধারিত সময়ের আগেই সব প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হবে।‘ তিনি দাবি করেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতার জোরেই এবারে নির্বাচনে এই কেন্দ্রে জয়ের ধারা বজায় থাকবে। এখন সকলের নজর মঙ্গলবারের সভার দিকে। অভিষেক কী বার্তা দেন এবং তা নির্বাচনী সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলে, সেটাই দেখার।