• হাড়োয়ায় তৃণমূল প্রার্থীর নামে অবৈধ লেনদেনের অভিযোগে পোস্টার, বিতর্ক
    বর্তমান | ২৪ মার্চ ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: হাড়োয়া বিধানসভায় এবার তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন আব্দুল মাতিন। সোমবার তাঁর নামে একাধিক পোস্টারকে ঘিরে শোরগোল পড়েছে। বিধানসভা কেন্দ্রের তিনটি ব্লকের বিভিন্ন গ্রামে এই পোস্টার ও লিফলেট পড়ে থাকতে দেখা যায়। ওই পোস্টারে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘বেআইনি’ লেনদেনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। যদিও এই ঘটনাকে বিরোধীদের চক্রান্ত বলেই মন্তব্য করেছে তৃণমূল।

    জানা গিয়েছে, হাড়োয়া বিধানসভার মধ্যে বারাসত ২ নম্বর ব্লকের পাঁচটি, দেগঙ্গার চারটি পঞ্চায়েত রয়েছে। এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন রবিউল ইসলাম। এবারও তিনি প্রার্থী হওয়ার অন্যতম দাবিদার ছিলেন। উপনির্বাচনে জেতার পর বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়নের কাজ করেছেন রবিউল। হাসপাতাল থেকে রাস্তা— সবই নতুন করে তৈরিতে বিশেষ উদ্যোগী হন তিনি। কিন্তু তৃণমূল এবার আর তাঁকে প্রার্থী করেনি। তাছাড়া প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে ছিলেন আরও তিন যুব নেতা। প্রার্থী নিয়ে দলের অন্দরে অসন্তোষের কথা কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে। এর মধ্যে এদিন সাতসকালে দেগঙ্গা ও শাসনে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে একাধিক পোস্টার পড়ায় ভোটের মুখে নতুন করে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। পোস্টারে লেখা— ‘বাংলাদেশ, পাকিস্তান, সৌদি আরব, আফগানিস্তান থেকে অবৈধভাবে টাকা এসেছে প্রার্থীর অ্যাকাউন্টে। এভাবে কোটি কোটি টাকা এনে নিজের এবং অন্যান্যদের নামে ভুয়ো ট্রাস্টের মাধ্যমে লেনদেন করা হল কেন? প্রার্থী আব্দুল মাতিন জবাব দাও।’ পোস্টারের নীচে লেখা সাধারণ নাগরিকবৃন্দ। তবে, এই ঘটনায় তৃণমূলের ঘরোয়া কোন্দল, নাকি সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ, তা নিয়েই ধোঁয়াশায় নেতৃত্বের একাংশ। 

    এনিয়ে আব্দুল মাতিনের অবশ্য কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে, তৃণমূল নেতা তথা দেগঙ্গা পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম বলেন, মাতিন সাহেব প্রার্থী হওয়ার আগে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ছিল। এখন সেসব নেই। সকলেই ঐক্যবদ্ধ। এটা পুরোটাই বিরোধীদের চক্রান্ত। বিজেপি প্রার্থী ভাস্কর মণ্ডল পালটা বলেন, বিষয়টি আমরাও শুনেছি। টাকা লেনদেন অবৈধ কাজ। এসব কাজ তৃণমূলের দ্বারাই সম্ভব। 
  • Link to this news (বর্তমান)