• পরপর দুই মর্মান্তিক মৃত্যু, দেড় বছর বাদে খুলছে আর জি করের ইমার্জেন্সি
    বর্তমান | ২৪ মার্চ ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এক বছর সাত মাস পর অবশেষে খুলছে আর জি কর মেডিকেল কলেজের মেইন ইমার্জেন্সি বিভাগ। অভয়া কাণ্ডের প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ১৫ আগস্ট গভীর রাতে দুষ্কৃতী তাণ্ডবের পর তালা পড়ে ইমার্জেন্সিতে। সিবিআইয়ের অনুমতি না মেলায় এতদিন তা খোলা যায়নি বলে অভিযোগ। কয়েক কোটি খরচ করে এই ইমার্জেন্সিকে ঢেলে সাজিয়েছিল রাজ্য। সব মিলিয়ে ১০০ বেডের ইমার্জেন্সি বিভাগ তৈরি হয়েছিল। মেইন ইমার্জেন্সির পাশাপাশি সিবিআইয়ের নির্দেশে ওই বাড়ির আটতলায় অর্থোপেডিক ওটি’র স্টোররুমও বন্ধ ছিল এতদিন। ফলে কোটি কোটি টাকার অত্যাধুনিক সরঞ্জাম সবই নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই ঘরও খুলবে। সোমবার স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম বলেন, আর জি করে মেইন ইমার্জেন্সি চালুর ব্যাপা঩রে সিবিআইয়ের কাছ থেকে এনওসি মিলেছে। প্রয়োজনীয় সংস্কার করে যত দ্রুত সম্ভব চালু করতে চলেছি আমরা। সূত্রের খবর, এর জন্য ৪০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য। দপ্তরের এক শীর্ষকর্তা বলেন, ইমার্জেন্সি চালু থাকলে হয়তো দু’টি মর্মান্তিক ঘটনা এড়ানো যেত।

    ২০২৪ সালে মেইন ইমার্জেন্সি বন্ধ হওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অস্থায়ী ইমার্জেন্সি চালু করে ট্রমা কেয়ার সেন্টারে। এই বাড়ির বেসমেন্টে ক্যান্সার চিকিৎসার দামি যন্ত্র আছে বলে এখানে বিধিনিষেধের অন্ত নেই। একতলায় দু’টি বাথরুমের একটি থেকে জল চুঁইয়ে পড়ায় সেটি বর্তমানে বন্ধ। অন্যটি খাতায়-কলমে স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য। বাথরুমের জন্যই সোমবার গুরুতর অসুস্থ বিশ্বজিৎ সামন্ত নামের এক বৃদ্ধকে ইমার্জেন্সি থেকে পাঠানো হয় মেইন গেটের সামনে পে অ্যান্ড ইউজ টয়লেটে। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। আবার ট্রমা ইমার্জেন্সিতে লিফটের গেটে তালা দিয়ে রেখেছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ওই তালা বন্ধ থাকায় শুক্রবার মর্মান্তিক মৃত্যু হয় অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় নামে কালিন্দির এক বাসিন্দার।  ফাইল চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)