• অগ্নিযুগের তিন বীরকে শ্রদ্ধা যোগীর, লখনউয়ে পালিত হল শহিদ দিবস
    প্রতিদিন | ২৪ মার্চ ২০২৬
  • ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ২৩ মার্চ এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৩১ সালের এই দিনেই লাহোর সেন্ট্রাল জেলে ব্রিটিশ শাসক ফাঁসি দিয়েছিল ভগৎ সিং, সুখদেব এবং রাজগুরুকে। সোমবার সেই মহান বিপ্লবীদের প্রয়াণ দিবসে সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তাঁর মতে, দেশের জন্য এই তিন বীরের আত্মবলিদান ভারতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা অধ্যায়।

    লখনউয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী (Yogi Adityanath) জানান, এই তিন বিপ্লবীর সাহস এবং দেশপ্রেম আগামী প্রজন্মের কাছে চিরকাল প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। এদিন নিজের সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেল ‘এক্স’-এ একটি বিশেষ বার্তাও দেন তিনি। সেখানে তিনি লেখেন, “শহিদ ভগৎ সিং, সুখদেব এবং রাজগুরু দেশের স্বাধীনতার জন্য যে অগ্নিশিখা প্রজ্বলিত করেছিলেন, তা আজও অম্লান। এই আদর্শ যুগ যুগ ধরে আমাদের পথ দেখাবে।”

    এদিন লখনউয়ের প্রশাসনিক স্তরেও শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন, পরাধীন ভারতের শৃঙ্খল মোচনে এই যুবকদের ভূমিকা ছিল অতুলনীয়। তাঁরা হাসিমুখে ফাঁসির দড়ি গলায় পরেছিলেন শুধুমাত্র মাতৃভূমিকে মুক্ত করার স্বপ্ন নিয়ে। তাঁদের এই অদম্য জেদ এবং ব্রিটিশ বিরোধী লড়াইয়ের কাহিনি ভারতের প্রতিটি প্রান্তে আজও দেশভক্তির জোয়ার আনে।

    যোগী আদিত্যনাথ বলেন, বর্তমানে স্বাধীন ভারতে যে গণতান্ত্রিক অধিকার আমরা ভোগ করছি, তার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন এই বীর শহিদেরাই। তাই তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য। উত্তরপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও এদিন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শহিদদের স্মরণে বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। মূলত যুব সমাজের কাছে ভগৎ সিংদের আদর্শ পৌঁছে দেওয়াই ছিল এই দিনের প্রধান লক্ষ্য। দেশাত্মবোধের সেই পুরনো স্মৃতি উসকে দিয়ে এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও একবার মনে করিয়ে দেন যে, দেশ ও জাতির স্বার্থে আত্মত্যাগই হল শ্রেষ্ঠ ধর্ম।
  • Link to this news (প্রতিদিন)