রবিবার বারাকপুর পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডে তালপুকুর বাজার এলাকায় জনসংযোগে নামেন বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী। প্রচারে নেমেই ‘স্থানীয় ছেলে’ ইস্যু তুলে ধরে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি, “আমি ৫০ হাজার ভোটে রাজ চক্রবর্তীকে (Raj Chakraborty) পর্যুদস্ত করব।” সঙ্গে তাঁর দাবি, “বামপন্থীদের একটা বড় অংশ আমার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। বিরোধী ভোট যেন ভাগ না হয়, আমি সেই আবেদন করছি। লক্ষ্য একটাই, তৃণমূলকে উৎখাত।”
বারাকপুর পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে খোল-করতাল নিয়ে প্রচারে নামেন তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী। মাধবনিবাস এলাকায় মতুয়াদের সঙ্গে নাচ-গান, ঢোল বাজিয়ে প্রচারের মধ্যেই বিজেপিকে নিশানা করেন তিনি। সেখানেই কৌস্তভ বাগচীকে কটাক্ষের সুরে রাজ বলেন, “স্বপ্ন দেখা ভালো, কিন্তু দিনের বেলা স্বপ্ন যেন না দেখে। আমি তো বলি উনাকে ঘোল নিয়ে বেরতে – খায়ও আর মাথায়ও মাখে।” এখানেই থামেননি। আরও আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “সুনামিতে উনি ভেসে যাবেন, আমরা চাইলেও বাঁচাতে পারব না। কারণ ওঁর তো চুল নেই – ধরে তুলব কী করে?”
এই তরজার মাঝেই আলাদা সুর শোনা গেল সিপিএম প্রার্থী সুমন রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। বারাকপুর পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারে নেমে তিনি সরাসরি তৃণমূল ও বিজেপি – দুই পক্ষকেই আক্রমণ করেন। তাঁর বক্তব্য, “এখানে যা চলছে সেটা ‘তু তু ম্যায় ম্যায়’। কার টাকে চুল গজাবে, কে কী বলল – এসবই হচ্ছে। সাধারণ মানুষের সমস্যা কিন্তু কোথাও নেই। মেকি লড়াই – এরা নিজেদের কথা বলছে, মানুষের কথা বলছে না।” সুতরাং এবারে বারাকপুরের ভোটের লড়াই ত্রিমুখী।