বিধানসভা ভোটের কাজে প্রশিক্ষণের জন্য জেলার নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছ থেকে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছে চিঠি আসা শুরু হল। ২০১৬ সালের এসএসসি-র চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষকদের একাংশ জানাচ্ছেন যে, তাঁদের নামেও ওই চিঠি এসেছে। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
সুমন বিশ্বাস নামে এক চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষক বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট আমাদের চাকরির মেয়াদ ৩১ অগস্ট পর্যন্ত বহাল রাখে শিক্ষা সংক্রান্ত কাজের জন্য। কিন্তু এখন আমাদের ভোটের কাজও করতে হবে। এত সব দায়িত্ব বর্তাচ্ছে, অথচ, আমাদের চাকরি সুনিশ্চিত হচ্ছে না।”
হাওড়ার পাঁচলার গঙ্গাধরপুর বিদ্যামন্দিরের পাঁচ চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষকের মধ্যে চার জনের নামেই প্রশিক্ষণের চিঠি এসেছে। মার্চের শেষে ও এপ্রিলের প্রথমে দু’দফায় প্রশিক্ষণের কথা বলা হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রের খবর, ২০১৬ সালের এসএসসি প্যানেলের শিক্ষকদের চাকরি আপাতত বহাল রইলেও তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মীদের চাকরির মেয়াদ গত বছর ৩১ ডিসেম্বরেই শেষ হয়েছে। হুগলিতে এমন ব্যক্তিদের নামেও চিঠি এসেছে বলে জানা যাচ্ছে। যাঁদের চাকরিই নেই, তাঁদের ভোটকর্মীর প্রশিক্ষণ নিতে কেন ডাকা হবে, এ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
হুগলির জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) সত্যজিৎ মণ্ডল জানান, তাঁদের কাছ থেকে শিক্ষকদের নথি নেয় না কমিশন। যাঁরা চাকরি করছেন, তাঁদের তথ্য বেতন সংক্রান্ত অ্যাপে থাকে। যাঁদের চাকরি নেই, তাঁদের তথ্য থাকার ব্যাপার নেই।
শিক্ষকদের একাংশের অনুমান, পুরনো নথি দেখে তালিকা তৈরি করায় সমস্যা হয়েছে।