এই সময়: ভোট ঘোষণার মাত্র এক সপ্তাহেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নগদ ৩ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই সময়ের মধ্যে বিপুল পরিমাণ মদ, মাদক দ্রব্য এবং সোনাও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই অঙ্ক প্রায় ১৮১ কোটি টাকা। এ ছাড়া নাকা তল্লাশিতে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৬৭টি আগ্নেয়াস্ত্র। ১৬ মার্চ ভোট ঘোষণার পরে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) ২২ মার্চ পর্যন্ত এই হিসেব দিয়েছে।
ভোটের মুখে হিসেব বহির্ভূত টাকার লেনদেন বাড়বে এই আশঙ্কায় নাকা তল্লাশি বাড়ানো হয়। এ বারও তাই হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত রাজ্যে মোট ১৮১ কোটি ৩১ লক্ষ টাকার সামগ্রী ও নগদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। যার মধ্যে মদ বাজেয়াপ্ত হয়েছে ১০ লক্ষ ৩৫ হাজার লিটারেরও বেশি। যার মূল্য প্রায় ২৬ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। বাজেয়াপ্ত করা অন্যান্য মাদক দ্রব্যের পরিমাণ প্রায় ২৬৩০ কেজি। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২৭ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা। এ ছাড়াও সোনা এবং অন্যান্য মূল্যবান ধাতু বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ১১১ কোটি টাকার মতো। কমিশন জানিয়েছে, কোচবিহারের পাতলাখাওয়া এলাকায় নাকা চেকিংয়ের সময়ে দুটি বাস থেকে প্রায় ৫.৮ কেজি মাদক এবং প্রচুর ট্যাবলেট উদ্ধার করে সিআরপিএফ।
এ ছাড়াও এই এক সপ্তাহের মধ্যে আইনশৃঙ্খলাজনিত দু'টি ঘটনারও উল্লেখ করেছে কমিশন। যেগুলি পুলিশ সাফল্যের সঙ্গে মোকাবিলা করেছে। ২১ মার্চ উত্তর ২৪ পরগনার বরাহনগরের গোপাল লাল ঠাকুর রোডে একটি বাঁশের গেট তৈরিকে কেন্দ্র করে দুই রাজনৈতিক দলের গোলমাল সংঘর্ষের চেহারা নেয়। পরিস্থিতি চরমে পৌঁছনোর আগেই ফ্লাইং স্কোয়াড ও কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবৈধ কাঠামোটি ভেঙে দেয়। অন্যদিকে, কলকাতার কালীঘাট (Kalighat) এলাকায় এক বাসিন্দাকে লাল-সাদা শাড়ি ও হুমকি চিঠি পাঠিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।