আজকাল ওয়েবডেস্ক: কলকাতা মেট্রোর গ্রিন লাইনে ফের বিভ্রাট। এবার ব্যস্ত সময়ে ২০ মিনিটের বেশি সময় ধরে বন্ধ হাওড়া মেট্রো স্টেশনের গেট। যাত্রীদের অভিযোগ মেট্রো কর্তৃপক্ষ নাকি অনেক দেরিতে ঘোষণা করে ট্রেন ছাড়তে দেরি হবে।জানা গেছে, মঙ্গলবার আচমকাই হাওড়া মেট্রো স্টেশন থেকে প্ল্যাটফর্মে ঢোকার সমস্ত গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। যাত্রীদের অভিযোগ কেন এবং কী কারণ, তা নাকি বলা হয়নি। এই অবস্থায় স্টেশনে ভিড় বাড়তে থাকে যাত্রীদের। কিছুক্ষণ পর হাওড়া মেট্রো স্টেশন থেকে ঘোষণা করা হয়, নতুন করে কেউ যেন টিকিট না কাটেন।
তবে দুপুর ১২টা ৩৭ মিনিট নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। ঘোষণা করা হয়, একটি ট্রেন মহাকরণ ছেড়ে হাওড়া ময়দান যাচ্ছে। সেটি ঘুরে ‘আপ’ হয়ে সেক্টর ফাইভের দিকে যাবে।
শেষমেশ ১২টা ৫১ মিনিটে একটি ট্রেন ঢোকে হাওড়া মেট্রো স্টেশনে। কিন্তু আবার মেট্রোর গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। ভিড় সামলানোর জন্যই ওই ব্যবস্থা বলে জানা গেছে। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কেন এরকম হল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, চিংড়িঘাটা মেট্রোর মামলায় বড় নির্দেশিকা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার শীর্ষ আদালতের সিদ্ধান্তে জানানো হয়, তারা কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করবে না।
অর্থাৎ এই মামলায় হাইকোর্টের রায়ই বহাল রইল। সুপ্রিম কোর্টের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, ‘সাধারণ মানুষের জন্য প্রকল্প নিয়ে রাজনীতি নয়। হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই কাজ হবে। তাদের বেঁধে দেওয়া সময় মেনেই কাজ হবে।’
চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য। সোমবার মামলাটি ওঠে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলীর বেঞ্চে।
শীর্ষ আদালতের তরফে রাজ্য সরকারকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয় মামলা তুলে নেওয়ার জন্য। উল্লেখ্য, চিংড়িঘাটা মেট্রোর কাজ শেষ করার জন্য হাইকোর্ট সময় বেঁধে দিয়েছিল।
কিন্তু সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, হয় মামলা তুলে নিতে নয়তো খারিজ করে দেওয়া হবে আদালতের তরফে।