• ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বড় সাফল্য, দেশের মধ্যে শীর্ষে যোগীরাজ্য, কর্মসংস্থান ৩ কোটিরও বেশি
    প্রতিদিন | ২৪ মার্চ ২০২৬
  • দেশের শিল্প মানচিত্রে এখন প্রথম সারিতে উত্তরপ্রদেশ। গত ৯ বছরে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হাত ধরে রাজ্যে উদ্যোক্তা তৈরির এক নতুন বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই) এবং বিভিন্ন স্বরোজগার প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের এক বিশাল ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমানে উত্তরপ্রদেশে এমএসএমই ইউনিটের সংখ্যা প্রায় ৯৬ লাখ, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।

    রাজ্য প্রশাসনের দাবি, শিল্পবান্ধব নীতির কারণেই উত্তরপ্রদেশে গত নয় বছরে প্রায় ৫০ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে। এই বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে প্রায় ১ কোটি ১০ লক্ষ তরুণের কর্মসংস্থানের পথ প্রশস্ত হবে। ইতিমধ্যেই এর মধ্যে ১৫ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগের কাজ শুরু হয়েছে, যার ফলে প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে। মূলত পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধার কারণেই উত্তরপ্রদেশ আজ শিল্পের অন্যতম গন্তব্য।

    উত্তরপ্রদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে এমএসএমই সেক্টর। এই খাতের মাধ্যমেই বর্তমানে রাজ্যে ৩ কোটি ১১ লক্ষেরও বেশি মানুষ কর্মসংস্থান পেয়েছেন। রাজ্য সরকারের ‘এক জেলা এক পণ্য’ (ওডিওপি) প্রকল্প এই ক্ষুদ্র শিল্পগুলিকে বিশ্ববাজারে পৌঁছে দিতে অনুঘটকের কাজ করেছে। এর পাশাপাশি গ্রামীণ ও আধা-শহুরে এলাকায় অর্থনৈতিক ভিত মজবুত করতে সরকার আর্থিক সহায়তা, প্রশিক্ষণ এবং বাজারজাতকরণের সুযোগ করে দিচ্ছে।

    কেবল চাকরি নয়, যুবসমাজকে স্বনির্ভর করতেও একাধিক প্রকল্প চালাচ্ছে যোগী সরকার। ‘মুখ্যমন্ত্রী যুব স্বরোজগার যোজনা’র আওতায় ইতিমধ্যে ৩৮ হাজারেরও বেশি তরুণ উপকৃত হয়েছেন। এই প্রকল্পে প্রায় ১,০৯৭ কোটি টাকা মার্জিন মানি হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে। একই ভাবে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসংস্থান সৃজন কর্মসূচির মাধ্যমে ২ লক্ষ ৬৩ হাজার মানুষের কাজের সংস্থান হয়েছে। বিশ্বকর্মা শ্রম সম্মান যোজনার হাত ধরে উপকৃত হয়েছেন ৪ লক্ষ ২০ হাজারের বেশি প্রথাগত শিল্পী ও কারিগর। সব মিলিয়ে, বিনিয়োগ এবং স্বনির্ভরতার যুগলবন্দিতে উত্তরপ্রদেশ এখন দেশের অগ্রণী শিল্প রাজ্যে পরিণত হওয়ার পথে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)