চেন্নাই: ভোটমুখী তামিলনাড়ুতে আবার ফিরল ভাষা রাজনীতি। বহুদিন ধরেই কেন্দ্রের তিন ভাষা নীতির সমালোচনা করে আসছে তামিলনাড়ু। শনিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এই নিয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যলিন সরকারকে কাঠগড়ায় তোলেন। তাঁর অভিযোগ, তিন ভাষা নীতিকে ‘চাপিয়ে’ দেওয়ার যে অভিযোগ করা হচ্ছে, সেটি আসলে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার ‘ক্লান্ত প্রচেষ্টা’। রবিবার তাঁর সেই অভিযোগ নিয়ে একযোগে পালটা আক্রমণে নামল কংগ্রেস এবং ডিএমকে।
স্ট্যালিন সরকারের মন্ত্রী পালানেইভি থিয়াগা রঞ্জনের প্রশ্ন, বিহার বা উত্তরপ্রদেশে কতজন পড়ুয়া তিনটি ভাষায় শিক্ষা পান? একটি সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘৭৫ বছরের শিক্ষা থেকে আমরা কী পেলাম। কতজন পড়ুয়া দু’টি ভাষায় সড়গড়?’ এরপরেই তিনি রাজ্যের দুই ভাষানীতির সাফল্য তুলে ধরেন। তাঁর মতে, সংস্কৃতিগত এবং অর্থনীতির দিক থেকে দেখলে দ্বিভাষা নীতি অনেক বেশি বাস্তবসম্মত। এখনও পর্যন্ত এটা অনেক বেশি ইতিবাচক বলে প্রমাণিত। তিনি আরও বলেন, যিনি হিন্দি বলতে চান, তাঁরা তা বলতেই পারেন। তবে তামিলনাড়ুর পাঠ্যসূচিতে এটির অন্তর্ভূক্তির আমরা বিরোধিতা করব। কংগ্রেস সাংসদ শক্তিকান্ত সেন্থিলের আক্রমণ আরও শানিত। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, ‘আপনারা বৈচিত্রের কথা বলবেন। আর অভিন্ন নীতি অনুসরণ করবেন। বিকল্প যখন রাখবেন না, তখন পছন্দ মতো ভাষা নির্বাচন সম্ভব নয়।’