নয়াদিল্লি: বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রতিবেশী দেশে গঠিত হয়েছে নতুন সরকার। এই সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের তোড়জোড় শুরু করল দিল্লি। মঙ্গলবারই ভারতে এসেছেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান। আজ বুধবার তাঁর সঙ্গে বৈঠক করবেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। তারেক রহমান সরকারের কাছে ভারতের প্রত্যাশা অনেক। ১৮ মাসের ইউনুস জমানায় ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছায়। তারপর তারেকের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে লোকসভার স্পিকার ও বিদেশ সচিবকে পাঠিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছিল দিল্লি। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকটেও ডিজেল দিয়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে দিল্লি। তবে এই প্রত্যাশার বাইরে কাঁটা বিছানোর সম্ভাবনাও থাকছে। দেশান্তরি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রয়েছেন ভারতে। বাংলাদেশ তাঁকে প্রত্যর্পণের দাবি জানালে, ভারত কী অবস্থান নেবে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।