• গনিখানের মতোই ভোটের মুখে প্রয়াত আবু হাসেম, 'প্রিয় ডালুদা'-কে হারিয়ে শোকস্তব্ধ অধীর
    আজ তক | ০৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ভোটের মুখে কংগ্রেসে বড় ধাক্কা। প্রয়াত মালদা দক্ষিণের প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী। যিনি ডালু বাবু নামেই পরিচিত ছিলেন রাজনৈতিক মহলে। বুধবার রাতে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ভাবে অসুস্থ ছিলেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৮৯। তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া।

    তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ অধীর চৌধুরী। শোক প্রকাশ করে কংগ্রেসের বহরমপুরের প্রার্থী সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, 'প্রিয় ডালুদার প্রয়াণ আমার কাছে এক চরম আঘাত। আমার হৃদয়ের খুব কাছের একজনকে হারালাম। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা জানাই।'

    ডালু বাবু ছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবিএ গনিখান চৌধুরীর ভাই। তিনিও প্রয়াত হন ঠিক এইরকমই একটি বিধানসভা নির্বাচনের আগে। সময়টা ছিল ২০০৬ সালের ১৪ এপ্রিল। ডালু সে সময়ে ছিলেন কালিয়াচকের বিধায়ক। দাদা গনি খানের রাজনৈতিক সহকারী হিসাবেই পরিচিত ছিলেন 

    দাদার প্রয়ানের পর সাংসদ হওয়ার সুযোগ আসে আবু হাসেম খান চৌধুরীর কাছে।  উপনির্বাচনে অবিভক্ত মালদা লোকসভা আসনে জেতেন তিনি। আসন পুনর্বিন্যাসের পরে ২০০৯, ২০১৪ এবং ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে মালদা দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। ২০১২-১৪ দ্বিতীয় UPA সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন ডালু। 

    ডালুর আর এক দাদা প্রয়াত আবু নাসের খান চৌধুরী ২০১১ সালে রাজ্যে কংগ্রেস-তৃণমূল জোট সরকারের মন্ত্রী হয়েছিলেন। দিদি প্রয়াত রুবি নূর ছিলেন দীর্ঘ দিনের কংগ্রেস বিধায়ক। রুবির কন্যা মৌসম বেনজির নূর সুজাপুরের কংগ্রেস বিধায়ক এবং মালদা উত্তরের কংগ্রেস সাংসদ ছিলেন। ২০১৯-এ তৃণমূলে যোগ দিলেও সম্প্রতি রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছেড়ে কংগ্রেসে ফিরে বিধানসভা ভোটে মালতীপুর আসনে প্রার্থী হয়েছেন। 

    বাংলার তথা গোটা দেশের রাজনীতিতে কংগ্রেসের এই চৌধুরী পরিবার বড়সড় ছাপ রেখেছে। ফলে ডালু বাবুর প্রয়াণ হাত শিবিরের কাছে বড় ধাক্কা। ডালুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বৃহস্পতিবার রাজ্যে কংগ্রেসের সব দফতরে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।

     
  • Link to this news (আজ তক)