ছাব্বিশের নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) বঙ্গে হাইভোল্টেজ প্রচারে আসছেন কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। মঙ্গলে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ-সহ তিন বিধানসভা কেন্দ্রে জনসভা হওয়ার কথা। রায়গঞ্জ, মালদহের চাঁচল এবং মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে। কিন্তু তার আগে সোমবার রাতে রায়গঞ্জের যেখানে রাহুল গান্ধীর কপ্টার অবতরণের কথা, সেখানে তৈরি অস্থায়ী হেলিপ্যাডটি ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এনিয়ে সরব হয়েছেন জেলা কংগ্রেস নেত্রী দীপা দাশমুন্সি। রায়গঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী মোহিত সেনগুপ্ত ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করে এনিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করেছেন।
মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ রায়গঞ্জ স্টেডিয়ামে দলীয় প্রার্থী মোহিত সেনগুপ্তের সমর্থনে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিতে চলেছেন রাহুল গান্ধী। সকালে এনিয়ে ফেসবুক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, বাংলার ন্যায় ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইকে সম্মান জানিয়ে প্রচারে আসছেন।
তাঁর সেই সভার প্রস্তুতি হিসেবে সোমবার রায়গঞ্জ স্টেডিয়ামের পাশেই তৈরি হয়েছিল হেলিপ্যাড। কিন্তু অভিযোগ, সেই কংক্রিটের হেলিপ্যাড হঠাৎ ভেঙে ফেলা হচ্ছিল। সোমবার রাতে খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছন কংগ্রেসের জেলা সাধারণ সম্পাদক তুষার গুহ। তিনি ও অন্যান্য কংগ্রেস কর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। তুষারবাবুর দাবি, “রাহুল গান্ধীর নির্বাচনী সভা অনেকদিন আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল। রীতিমতো রায়গঞ্জ মহকুমাশাসকের অনুমতি নিয়েই সভার আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করা হয়। কিন্তু হঠাৎ আজই স্টেডিয়ামের হেলিপ্যাড ভাঙার সময় হল। এটা তৃণমূলের ষড়যন্ত্র।”
এ ব্যাপারে কংগ্রেস নেত্রী দীপা দাশমুন্সির অভিযোগ, “নির্বাচনী সভা করার অধিকার সকলের রয়েছে। ন্যূনতম সৌজন্যবোধ হারিয়ে ফেলেছে তৃণমূল। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই স্টেডিয়ামে সভার আয়োজন করা হয়। কিন্তু তারপরও ঘৃণ্য রাজনীতিতে রাহুল গান্ধীর সভা ভণ্ডুল করার চেষ্টা হচ্ছিল।” এনিয়ে অধীর চৌধুরীর প্রতিক্রিয়া, রাহুল গান্ধী নিজের চোখে দেখতে পাবেন এই রাজ্যে কীভাবে তৃণমূল চলে।” তবে হেলিপ্যাড ভাঙার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেন রায়গঞ্জ পুরসভার প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান তৃণমূল নেতা অরিন্দম সরকার। তিনি বলেন, “তৃণমূলের এমন অবস্থা হয়নি যে কংগ্রেসের প্রচার বন্ধ করতে হবে।”