ভারতীয় মুদ্রার পতনের জের! এক ধাপ নেমে বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ভারত
প্রতিদিন | ১৭ এপ্রিল ২০২৬
ভারত এখন বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। ২০২৫ সালে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হলেও সাম্প্রতিক রিপোর্টে একধাপ নেমে গিয়েছে নয়াদিল্লি। কেন এই পতন? ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে জিডিপি সংশোধন এবং ডলার পিছু টাকার দামের মতো ফ্যাক্টরের কারণেই এই পরিস্থিতি বলে মনে করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার IMF ও সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক তথ্য অনুযায়ী, ভারত রয়েছে আমেরিকা (৩০.৮ ট্রিলিয়ন ডলার), চিন (১৯.৬ ট্রিলিয়ন ডলার), জার্মানি (৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলার), ব্রিটেন (৪ ট্রিলিয়ন ডলার), জাপানের (৪.৪৪ ট্রিলিয়ন ডলার) ঠিক পিছনেই। ভারতের রয়েছে ৩.৯২ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছিল। আইএমএফের রিপোর্টে বলা হয়, ভারত রয়েছে ৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে। তার ঠিক আগেই ছিল ব্রিটেন (৩.৪ ট্রিলিয়ন ডলার)। ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। নতুন রিপোর্টে সেই সম্ভাবনা যে ধাক্কা খেল তা বলাই বাহুল্য। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ২০২৬ সালের রিপোর্টেও ভারত ষষ্ঠ স্থানেই থাকতে চলেছে। কিন্তু ২০২৭ সালে ব্রিটেনকে টপকে ভারত চার নম্বরে চলে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৮ সালের মধ্যে নয়াদিল্লি টপকে যেতে পারে জাপানকেও।
[প্রিয় পাঠক, খবরটি সদ্য আমাদের কাছে এসেছে। যেটুকু তথ্য এর মধ্যে পাওয়া গিয়েছে, সেটুকুই আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হল। গুরুত্বপূর্ণ এই খবরটি খুঁটিনাটি-সহ কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা সবিস্তারে জানাব। অনুগ্রহ করে একটু পরে আর-একবার এই পেজটি রিফ্রেশ করুন, যাতে পূর্ণাঙ্গ খবর ও খবরটির অন্যান্য খুঁটিনাটি আপনারা জেনে নিতে পারেন। এই সময়টুকু আমরা আপনাদের কাছে চেয়ে নিলাম। পাশাপাশি উল্লেখ থাক, সম্প্রতি নেটমাধ্যমে নানারকম ভুয়ো খবরের ছড়াছড়ি। সে বিষয়ে আমরা যথাসম্ভব সতর্ক থেকেই খবর পরিবেশন করি। যে-কোনো খবরের সত্যাসত্য যাচাই করে তবেই আপনাদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া আমাদের কর্তব্য। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকুন, ঠিক ও তথ্যনিষ্ঠ খবর তুলে ধরার ক্ষেত্রে আপনাদের সহায়তা আন্তরিকভাবে কাম্য।]