ভোটের দিন ঘনিয়ে আসতেই রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণ প্রান্তে গুলি চালানো, সংঘর্ষ, প্রার্থীকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে।
উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিজেপি ও তৃণমূলের সংঘর্ষে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। বিজেপির প্রার্থী শঙ্কর অধিকারীর দাবি, প্রচার সেরে ফেরার সময় তৃণমূল নেতা গোপাল ভৌমিকের নেতৃত্বে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। তৃণমূলের চোপড়া কোর কমিটির সদস্য গোপালের পাল্টা অভিযোগ, বিজেপি প্রার্থী ও তাঁর সঙ্গীরা প্রথমে তাঁদের হুমকি দেন। পরে, গুলি চালিয়ে পালান। জেলার পুলিশ সুপার রাকেশ সিংহ বলেন, “দু’টি দেশি পিস্তল, পাঁচ রাউন্ড গুলি এবং একটি গুলির খোল পাওয়া গিয়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে।” পুলিশ সূত্রের খবর, ঘটনাস্থলে থাকা একটি পিক-আপ ভ্যান থেকে গুলি ও আগ্নেয়াস্ত্র মিলেছে। গাড়ির মালিকের খোঁজ চলছে। ওই রাতেই কোচবিহারের মাথাভাঙায় তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে দু’দলের দু’জন জখম হন। বিজেপির অস্থায়ী কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে।
নদিয়ার চাপড়ায় বিজেপির চাপড়া ১ মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক অধীর হালদারকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গুরুতর জখম অধীরকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। পুলিশ অভিজিৎ বিশ্বাস নামে এক তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। হরিণঘাটা কেন্দ্রে আবার তৃণমূলের চিকিৎসক প্রার্থী রাজীব বিশ্বাসের নাম লেখা ব্যানার পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রে প্রচারে বেরোনো বিজেপি প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়াকে শুক্রবার বাধা দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে গোলমাল বাধে। অশোক বলেন, “এটা তৃণমূলের সংস্কৃতি।” ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের পুরসদস্য তৃণমূলের মৌসুমী চক্রবর্তী অবশ্য বলেন, “বিধায়ককে এলাকায় দেখেননি গত পাঁচ বছরে। স্থানীয় মহিলারা সেটাই বলতে গিয়েছিলেন। উল্টে, তাঁদের মারধর করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্ক নেই।”