আগামী ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। তার দু’দিন আগে নন্দীগ্রামে গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ানের জামাই শেখ হাবিবুল ওরফে নান্টু।
তৃণমূল নেতা নান্টু নন্দীগ্রামের মহম্মদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। বিজেপির অভিযোগ, সোমবার রাতে মহম্মদপুরের বুথে প্রচারে বেরিয়ে তিনি ভোটারদের টাকা বিলি করছিলেন। সেই সময় তাঁকে ধরে ফেলেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। এই ঘটনার একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। তার সত্যতা এই সময় অনলাইন যাচাই করেনি। ভিডিয়োয় হাবিবুলকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘টাকা কোথায়? আমি তো ভোট প্রচারে এসেছি।’ এ নিয়ে দুই শিবিরের মধ্যে বচসাও বাধে। তার পরেই গ্রেপ্তার করা হয় নান্টুকে। পুলিশ সূত্রের খবর, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে নান্টু গ্রেপ্তার হয়েছেন।
বিজেপির নন্দীগ্রাম মণ্ডল ১-এর সভাপতি ধনঞ্জয় ঘোড়া বলেন, ‘৫৪ নম্বর বুথে টাকা বিলি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছে নান্টু। মহিলাদের টাকার লোভ দেখাচ্ছিল। কোথাও আবার হুমকি দিচ্ছিল। বলছিল, গত বার ভোটের পর দেবব্রত মাইতির যে অবস্থা করেছিলাম, তোদের স্বামীরও সেই অবস্থা করব। এ নিয়ে স্থানীয় মহিলারা বিক্ষোভ দেখান। তার পরেই পুলিশ এসে ওকে গ্রেপ্তার করে। ওর শাগরেদ পলাশকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
পাল্টা তৃণমূলের তমলুক সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুজিতকুমার রায় বলেন, ‘নান্টু নিজের গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচার করছিলেন। সেখানে মিথ্যা অভিযোগে ওকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে তৃণমূলের নেতৃত্বকে দমাতে চাইছে বিজেপি। কারণ ওরা বুঝে গিয়েছে, নন্দীগ্রামে বিজেপি হারবে।’