• ভোটের দু’দিন আগে নন্দীগ্রামে বদল পুলিশ পর্যবেক্ষক, নিজেদেরই নিযুক্ত কর্তাকে সরিয়ে দিল কমিশন
    এই সময় | ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ভোটের দু’দিন আগে নন্দীগ্রামেও পুলিশ পর্যবেক্ষক বদল! ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার হওয়ার পর জায়গায় জায়গায় পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল নির্বাচন কমিশন। নন্দীগ্রামে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল হিতেশ চৌধুরীকে। আগামী ২৩ এপ্রিল ভোটগ্রহণের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অখিলেশ সিংকে। কিন্তু হিতেশকে কেন সরানো হলো, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কমিশন এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানায়নি এখনও।

    এর আগেও একাধিক জায়গায় পুলিশ পর্যবেক্ষক বদলে দিয়েছে কমিশন। ঘটনাচক্রে, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা হাতে আসার পর যে সব পুলিশ অফিসারকে পর্যবেক্ষক করে পাঠানো হয়েছিল, সরানো হচ্ছে তাঁদেরই। চলতি মাসেই সরানো হয়েছিল কোচবিহারের পুলিশ পর্যবেক্ষককে। অভিযোগ উঠেছিল, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সঙ্গে বৈঠকে ওই পর্যবেক্ষক তাঁর আওতাধীন এলাকার মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বলতে পারেননি। তাতেই জ্ঞানেশ ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে সরানোর নির্দেশ দেন।

    তার আগে মার্চ মাসেও মালদার চার কেন্দ্র মানিকচক, মোথাবাড়ি, সুজাপুর এবং বৈষ্ণবনগরের পুলিশ পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব থাকা জয়ন্ত কান্তকে সরিয়ে দিয়েছিল কমিশন। উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা জয়ন্তের স্ত্রী বিজেপির নেত্রী, এই দাবি করে তৃণমূল কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল। তাদের প্রশ্ন, জয়ন্তের স্ত্রী বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় তিনি কি আদৌ নিরপেক্ষ ভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন? একই সঙ্গে আরও পাঁচ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে বদলের কথা জানিয়েছিল কমিশন। জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘির দায়িত্বে আনা হয়েছিল নতুন পুলিশ পর্যবেক্ষক। নতুন পর্যবেক্ষক দেওয়া হয়েছিল জামুড়িয়া, আসানসোল দক্ষিণ, আসানসোল উত্তর, কুলটি, বারাবনিতেও। খড়্গপুর সদর, পিংলা, খড়্গপুর এবং ডেবরার দায়িত্বে থাকা পুলিশ পর্যবেক্ষককেও বদলে দেওয়া হয়েছিল।

  • Link to this news (এই সময়)